সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) প্রকল্পের প্রথম ধাপ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বনানী রেল স্টেশন পর্যন্ত আগামী বছরের জানুয়ারি মাসে সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘ এ ছাড়াও ২য় ও ৩য় ধাপের কাজ বনানী রেল স্টেশন থেকে মগবাজার রেল ক্রসিং হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত ২০২২ সালের মার্চ মাসে সম্পন্ন হবে’। তিনি বলেন, ‘মেট্টোরেলের মতো পাতাল রেলের দৃশ্যমান কাজও এ বছরই শুরু হবে।

১৮ জুন মঙ্গলবার রাজধানীর কাওলায় ‘ঢাকা অ্যালিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ের’ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘পাঁচটি ফেজে পাতাল রেলের কাজ হবে। এম আরটি লাইন ১, এমআরটি লাইন ২, এমআরটি লাইন ৪, এমআরটি লাইন ৫ ও এম আরটিলাইন ৬। আমরা আশা করছি ২০৩০ সালের মধ্যে সবকটি এমআরটি লাইনের কাজ শেষ হবে।

ওবায়দুল কাদের জানান, এমআরটি লাইন ১ অ্যান্ড ৫ এর কাজ আগে হবে। যেখানে এমআরটি লাইন ১ এ আছে সাড়ে ১৬ কিলোমিটার, আর ৫ এ আছে সাড়ে ১৩ কিলোমিটার।

কবে নাগাদ পাতাল রেলের দৃশ্যমান কাজ শুরু হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এখন ফিজিবিলিটি টেস্ট চলছে। এ বছরই দৃশ্যমান কাজ শুরু হবে’।

এছাড়া ঢাকা অ্যালিভেটেট এক্সপ্রেসের পিপিপি প্রজেক্ট এর কাজও ২০২২ সালের মার্চে শেষ হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘ঢাকা অ্যালিভেটেট এক্সপ্রেসের কাজটি পিপিপি প্রজেক্ট করছে। চায়না এক্সিম ব্যংক এই প্রজেক্টের অর্থায়ন করছে এই প্রকল্পটি দীর্ঘদীন ঝুলে ছিল অর্থায়নের জন্য। এখন কাজ পুরোদমে চলছে। ঢাকা অ্যালিভেটেট এক্সপ্রেসের কাজও এখন দৃশ্যমান।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, কুড়িল বনানী মহাখালী, তেজগাঁও, মগবাজার, কমলাপুর, সায়েদাবাদ ও যাত্রাবাড়ী, ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী এই লাইনের দৈর্ঘ্য ১৯.৭০ বলে জানান ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘প্রকল্পটি তিনটি ধাপে সম্পন্ন হবে। প্রথম ধাপে এয়ারপোর্ট থেকে বনানী, দ্বিতীয় ধাপে বনানী থেকে মগবাজার ও শেষ ধাপে মগবাজার থেকে কুতুবখালী পর্যন্ত কাজ হবে। প্রথম ধাপের কাজ আগামী জানুয়ারিতে সম্পন্ন হবে। আর মোট কাজ শেষ হবে ২০২২ সালের মার্চ মাসে।

আজকের পত্রিকা/আর.বি/