আটক। প্রতীকী ছবি

চরফ্যাশনে মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে কিশোর গ্যাং। থানার তথ্য মতে ১৩ কিশোর গ্যাংয়ের তালিকা রয়েছে।

তবে ৯জনের স্পষ্ট তালিকা রয়েছে বলে চরফ্যাশন থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক এস আই আজিজুল ইসলাম জানিয়েছেন।

এই সকল কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যগন মটর সাইকেল যোগে চরফ্যাশন পৌর শহরসহ বিভিন্ন মোড়ে নারীদের ভ্যানেটি ব্যাগ ছিন্তাইসহ বিভিন্ন অপকর্ম করে থাকে। এই সকল কিশোরগন দশম শ্রেণি থেকে কলেজ প্রথম বর্ষের ছাত্র রয়েছে।

থানা রোর্ডে লিটন শীল নামক শীল (নাপিত) এর কাছে একই স্টাইলে চুল কাটা হয় বলে কিশোর গ্যাংয়ের জণৈক সদস্য এই প্রতিনিধির কাছে স্বীকার করেছেন।

বুধবার বিকেল সাড়ে ৪ টায় চরফ্যাশন থানা ওসি শামসুল আরেফীনের নেতৃত্বে সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের ৩ সদস্যকে আটক করেছে।

আটককৃত হলো পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের শাহ মোঃ মহসিনের ছেলে তানজিল (১৮),২নং ওয়ার্ডের আব্দুল খালেকের ছেলে রাকিবুল ইসলাম হিরু(১৯), এবং ৪ নং ওয়ার্ডের আবুল কালাম বিশ্বাসের ছেলে মেহেদী হাসান অমি(১৯)।

এই সকল সদস্যগণ গত এক সপ্তাহ ধরে পৌর সভার ১ নং ওয়ার্ডের আলীয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন ভোলা চরফ্যাশন সড়কে মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকার নগদ ১৮ হাজার টাকাসহ মোবাইল সেট এবং নতূন ক্রয়কৃত জামা-কাপড় ছিনতাই করা হয়েছিলো।

তাদের বিরুদ্ধে যুবলীগ নেতা পৌর ১নং ওয়ার্ডের বাসীন্দা আবুল খায়ের নাজু পন্ডিত বাদী হয়ে চরফ্যাশন থানায় ছিনতাই মামলা দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে আটককৃতদেরকে আদালতে সোপর্দ করেছেন থানা পুলিশ।

চরফ্যাশন থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক এস আই নাজমুল ইসলাম বলেন, তারা চরফ্যাশনের গ্রেড ছিনতাইকারী ও অপকর্মের সাথে জড়িত। তার মধ্যে অনেকে স্কুল কলেজগামী ছাত্রীদের উত্ত্যাক্ত, মাদকের সাথে জড়িত তথ্য রয়েছে আমাদের কাছে।

চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শামসুল আলেফীণ বলেন, তাদের বয়স ১৮/১৯ বছর হবে। কিন্তু শিক্ষাগত যোগ্যতার বয়স অনুযায়ী কিশোর। আইনী ভাবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

বাকী অপরাধীদেরকে আটক করতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

-আমির হোসেন