বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর চকবাজারের চুড়িহাট্টায় অগ্নিকাণ্ড দুর্ঘটনা নয় অবহেলা উল্লেখ করেছে হাইকোর্ট। হাইকোর্ট থেকে বলা হয়েছে, এটাকে দুর্ঘটনা বলা যাবে না, এটা অবহেলা। যার দায় কাউকে না কাউকে নিতে হবে।

২৫ ফেব্রুয়ারি সোমবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষতিপূরণ, কেমিক্যাল অপসারণসহ কয়েক দফা নির্দেশনা চেয়ে করা পৃথক তিনটি রিটের শুনানিতে হাইকোর্টের বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এসব কথা বলেন।

শুনানির শুরুতেই রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার সময়ের আবেদন করেন। পরে রিটের শুনানি মুলতবি করেন আদালত।

শুনানিতে হাইকোট বলেছেন, ‘নিমতলীর ঘটনার পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের কমিটি যে সুপারিশ করেছিল, সেগুলোর বাস্তবায়ন হলে চকবাজারে এ দুর্ঘটনা ঘটতো না। নিমতলীর আগুনের ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী দুই বোনকে দত্তক নিয়েছিলেন।’

এ বিষয়ে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘সরকার এই ঘটনার বিষয়ে খুবই আন্তরিক। এ সময় আদালত বলেন, ‘আন্তরিক হলে লাভ নেই। মানুষ তো চলে গেছে। কাজ তো করতে হবে।’

কোর্ট আরও বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নিজেই চকবাজারের ঘটনা তদরকি করেছেন’। এ সময় বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি বলেন, ‘ওনি তো একা দেশ চালাতে পারবেন না। সুপারিশ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনেরও দায়িত্ব রয়েছে।’

এ সময় অপর একটি রিটের শুনানির জন্য উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। আদালতকে তিনি বলেন, ‘নিমতলীর ঘটনায় কমিটি যে সুপারিশ করেছিল তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় চকবাজারের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় তিনি কোর্টকে এ বিষয়ে শুনানি গ্রহণের আবেদন জানান। আইনজীবী বলেন, ‘এ কাজে সরকারকে সম্পৃক্ত না করলে সুপারিশ বাস্তবায়ন হবে না।

২৬ ফেব্রয়ারি মঙ্গলবার দুপুর ২টায় আবারো শুনানি হবে।

আজকের পত্রিকা/আরবি/এমএইচএস/জেবি