ঘূর্ণিঝড় ডোরিয়ানের আঘাতে লণ্ডভণ্ড বাহামা

ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ডোরিয়ানের আঘাতে লণ্ডভণ্ড বাহামায় নিহতের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। এক মার্কিন সংবাদ মাধ্যমের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, সেখানে ঘূর্ণিঝড়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৩য়ে দাঁড়িয়েছে।

বাহামার প্রধানমন্ত্রী হুবার্ট মিনিসের এক প্রতিনিধির বরাত দিয়ে শুক্রবার রাতে মার্কিন সংবাদ মাধ্যম এনবিসি জানায়, নিহতের সংখ্যা ৪৩য়ে পৌঁছেছে। তবে এ সংখ্যা আরো বাড়বে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ কারণে ঘূর্ণিঝড়ে দেশের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা অ্যাবাকো দ্বীপপুঞ্জে মরদেহ বহনের জন্য ২শ বডি ব্যাগ পাঠিয়েছেন কর্মকর্তারা।

কর্মকর্তারা এখন বলছেন, ঘূর্ণিঝড়ে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা অ্যাবাকো ও গ্রান্ড বাহামায় এখনও হাজারের বেশি লোক নিখোঁজ রয়েছে। তাই নিহতের সংখ্যা যে আরো বেশি হবে তা নিশ্চিত।

এ সম্পর্কে দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশবাসীকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, চূড়ান্ত গণনায় নিহতের সংখ্যা ‘কল্পনার চেয়ে বেশি’ হতে পারে।

বৃহস্পতিবার স্থানীয় রেডিওতে দেয়া এক বিবৃতিতে তিনি আরো বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়ে নিহতের সংখ্যা এবং মানুষের দুর্ভোগ সম্পর্কে অকল্পনীয় তথ্যের জন্য জনগণকে প্রস্তুত করা দরকার।’

আর জাতিসংঘের মানবিক সহায়তার প্রধান মার্ক লোকোক জানান, অ্যাবাকো এবং গ্র্যান্ড বাহামায় ঘূর্ণিঝড় আক্রান্ত ৭০ হাজার মানুষের জরুরি জীবন রক্ষাকারী উপকরণের প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, রোববার স্থানীয় সময় দুপুরে বাহামার এলবো প্রবালপ্রাচীরে প্রবল ঝড় আঘাত হানার কিছুক্ষণের মধ্যেই অ্যাবাকো দ্বীপপুঞ্জটি পানির নিচে চলে যায়। ঝড়ের প্রভাবে বাহামার বিভিন্ন স্থানে তীব্র বাতাস এবং ভারী বৃষ্টিপাত হয়। ঘূর্ণিঝড়টিতে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় অ্যাবাকোসহ দ্বীপরাষ্ট্রটির কয়েকটি অঞ্চল। এখন পর্যন্ত বাহামায় আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় হচ্ছে ডোরিয়ান।

বাহামার পর যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় ডোরিয়ান।

সূত্র: রয়টার্স