শিশুর পোশাক ফ্যাশনেবল হওয়ার পাশাপাশি আরামদায়ক কিনা তা লক্ষ্য রাখতে হবে। ছবি: সংগৃহীত

গ্রীষ্মকাল এসে পড়েছে। ছোট শিশুদের এ সময় আলাদা যত্নের প্রয়োজন। বিশেষ করে পোশাকের ক্ষেত্রে। আরামদায়ক ফেব্রিকের সাথে সঠিক পোশাক নির্বাচন শিশুর বাবা-মায়ের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শিশুর পোশাক ফ্যাশনেবল হওয়ার পাশাপাশি আরামদায়ক কিনা তা লক্ষ্য রাখতে হবে।

এখানে এই গ্রীষ্মে আপনার বাচ্চাদের শীতল, আড়ম্বরপূর্ণ এবং স্মার্ট রাখা কিছু ফ্যাশন টিপস-

আরামদায়ক

পোশাকের মান, ফেব্রিক দেখে শুনে কেনা উচিত। ছবি: সংগৃহীত

ছোট্ট সোনামণিটা হয়তো তার প্রয়োজনের কথা ঠিকমতো বলতে পারে না। তবে পিতামাতার উচিত সেই প্রয়োজনকে বোঝা। পোশাকের মান-ফেব্রিক দেখে শুনে কেনা উচিত।

সাইজ

বাচ্চাদের জন্য কাপড় কেনার আগে সচেতন থাকতে হবে। ছবি: সংগৃহীত

বাচ্চারা দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং প্রতি কয়েক মাস পরে তাদের নতুন কাপড়ের প্রয়োজন হয়। তাই বর্তমান সাইজের তুলনায় বড় সাইজের কাপড় কেনা ভালো। মনে রাখবেন, এক ব্র্যান্ডের সাইজ অন্য ব্র্যান্ড থেকে আলাদা। তাই বাচ্চাদের জন্য কাপড় কেনার আগে সচেতন থাকতে হবে। আর গরমে ঢিলাঢালা পোশাক পরাই ভালো।

সুতির কাপড়

বাইরের তাপ ও ঘাম থেকে মুক্তি পেতে সুতির কাপড়ই সর্বোত্তম। ছবি: সংগৃহীত

বাচ্চাদের জন্য সুতির হাতা কাটা পোশাক নির্বাচন করাই উত্তম। বাইরের তাপ ও ঘাম থেকে মুক্তি পেতে সুতির কাপড়ই সর্বোত্তম। বিভিন্ন ধরনের ভয়েল, পাতলা তাঁত কাপড়ও আরামদায়ক।

রং

হালকা গোলাপি, সাদা, ধূসর, বাদামি ইত্যাদির উপর রঙিন ছাপা বা প্রিন্টের পোশাক বেছে নিতে পারেন। ছবি: সংগৃহীত

গরমকালে শিশুদের হালকা রংয়ের পোশাক যেমন- আকাশি, হালকা সবুজ, হালকা গোলাপি, সাদা, ধূসর, বাদামি ইত্যাদির উপর রঙিন ছাপা বা প্রিন্টের পোশাক বেছে নিতে পারেন। এতে শিশুদের দেখতে বেশ ভালো লাগে।

আজকের পত্রিকা/রিয়া/সিফাত