চলচ্চিত্র আন্দোলনের পথিকৃত মুহম্মদ খসরু। ছবি: সংগৃহীত

সুস্থ চলচ্চিত্র আন্দোলনের পুরোধা মুহম্মদ খসরু মারা গেছেন। আজ ২০ ফেব্রুয়ারি বুধবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলা কিংবা টিএসসিতে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য নেওয়া হবে তার মরদেহ। বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

এরপর তার মরদেহ সমাহিত করা হবে কেরানীগঞ্জের রোহিতপুরের মোহনপুরে। মুহম্মদ খসরু ভারতের হুগলি জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক বাড়ি কেরানীগঞ্জের রুহিতপুরের মোহনপুর গ্রামে। তিনি দীর্ঘ সময় চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

মুহম্মদ খসরু চলচ্চিত্র বিষয়ক কালজয়ী পত্রিকা ধ্রুপদীর সম্পাদক হিসেবে চলচ্চিত্র মহলে সবচেয়ে বেশি পরিচিত। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের এই পথিকৃত গত প্রায় ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলচ্চিত্রের সঙ্গে জড়িয়ে আছেন। তার উদ্যোগে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সংসদের তত্ত্বাবধানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ফিল্ম স্টাডি সেন্টার।

কেরালার চিত্রলেখা ও ওডেসা ফিল্ম কো-অপারেটিভের অনুপ্রেরণায় বাংলাদেশ ফিল্ম সোসাইটির উদ্যোগে যে ফিল্ম কো-অপারেটিভ গঠিত হয়েছিল, তার মাধ্যমেই বাংলাদেশে সর্বপ্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি নির্মাণ শুরু হয়, সেখানেও মুহম্মদ খসরুর অবদান অনবদ্য।

নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, ডায়াবেটিস, অ্যাজমার সমস্যায় অনেক দিন ধরেই ভুগছিলেন মুহম্মদ খসরু। গত মাসে হঠাৎ তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কেরানীগঞ্জের রোহিতপুরের বাড়ি থেকে ঢাকায় আনা হয়। কিন্তু শেষ রক্ষা আর হলো তাঁর। ১৯ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।