গোসলের পর ত্বক সতেজ রাখতে সঙ্গে সঙ্গে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। ছবি : সংগৃহীত

গোসল এমন একটি কাজ যা আমাদের দেহকে শুধু পরিষ্কারই করে না, দেহের ক্লান্তিও দূর করে। নিজের স্বাস্থ্যকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে ও সবসময় সতেজ থাকতে প্রতিদিন গোসল করার উপকারিতা আমরা সকলেই জানি। অবাক করা হলেও সত্যি যে গোসলের সময় এমন কিছু ছোট ছোট ভুল আমরা করে থাকি যা নিশ্চিতভাবে আমাদের সৌন্দর্য ও স্বাস্থ্যহানির কারণ। চলুন জেনে নিই, ভুলগুলো সম্পর্কে-

দীর্ঘ সময় গরম পানিতে গোসল

সারাদিনের কাজের শেষে ঘরে ফিরে হালকা গরম পানিতে গোসল সেরে নেন অনেকেই। আমাদের ক্লান্তি কাটিয়ে সতেজ করে তুলতে এটি সত্যিই কার্যকরী। কিন্তু যখন আপনি দীর্ঘ সময় ধরে গরম পানিতে গোসল করবেন, তখন ত্বকে ও শরীরে তার ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে। এটি চুল পড়া, ত্বকের ন্যাচারাল অয়েল ও ময়েশ্চারাইজার নষ্টের কারণ হতে পারে।

মাথার ত্বক জোরে ঘষা

শ্যাম্পু করার সময় আপনি কি মাথার ত্বক খুব জোরে ঘষেণ? তাহলে আজ থেকে তা বন্ধ করুন। এটি নিয়মিত চলতে থাকলে স্ক্যাল্প থেকে আঁশের মতো উঠতে শুরু করবে। এছাড়াও এটি আপনার চুল খুব সহজেই ড্যামেজ করে দেবে।

সঠিক সাবান ব্যবহার না করা

ক্লিনজার ব্যবহার না করলে যেমন আমাদের শরীর শুষ্ক হতে থাকে সাবানের অতিরিক্ত ব্যবহারেও ঠিক তেমনই। আপনি যদি প্রতিদিন গোসলের সময় অতিরিক্ত সাবান ব্যবহার করেন তবে তা ত্বকের জন্য হুমকিস্বরূপ। কারণ এতে ত্বক দ্রুতই শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে যাবে। আর আপনি হয়ে পড়বেন শ্রীহীন।

দেরিতে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার

ত্বক সতেজ রাখতে আমরা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করি। কিন্তু তা করতে হবে গোসলের পরপরই। শরীর ভেজা থাকা অবস্থায় ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করলে তা দীর্ঘ সময় ময়েশ্চার ধরে রাখে। কিন্তু গোসলের দীর্ঘ সময় পরে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করলে তা খুব একটা উপকারে আসে না।

ঠিকভাবে শরীর পরিষ্কার না করা

গোসলের সময় শুধু ভালো মানের সাবান বা শ্যাম্পু ব্যবহার করাই শেষ কথা নয়। শরীর ঠিকভাবে পরিষ্কারও করতে হবে। যদি আপনি তা না করেন তবে শরীর তো কুটকুট করবেই, সেইসঙ্গে ময়লা জমে লোমকূপ বন্ধ হবে। ফলফলস্বরূপ দ্রুতই ব্রণ দেখা দেবে।

আজকের পত্রিকা/কেএইচআর/