পতাকা বিক্রেতা।

স্বাধীনতার মাস মার্চ। এ মাসকে ঘিরে সারাদেশের মত গোলাপগঞ্জে পতাকা বিক্রি ও ব্যবহারের ধুম পড়েছে। সেই সাথে ধুম পড়েছে পতাকা তৈরিতেও। গোলাপগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, মোটরসাইকেল, রিকশা, বাস, ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনে, বাড়ির ছাদে ও ঘরের বারান্দায় লাল-সবুজের পতাকা উড়ছে।

এছাড়া সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় শোভা পায় নতুন পতাকা। নির্ধারিত মাপে কাপড়ের পতাকার পাশাপাশি তারা বিক্রি করছেন কাগজ দিয়ে তৈরি লাল-সবুজের পতাকা, হাতের ব্যাজ, মাথার কাগজের ক্যাপ, রাবার, বুকের ব্যাজ।

গোলাপগঞ্জ চৌমুহনীতে কথা হয় মৌসুমী পতাকা বিক্রেতা ২৬ বছর বয়সী জাহেদ আহমদের সাথে । তার বাড়ী বি-বাড়ীয়ার সরাইল থানার সরাই গ্রামে। থাকেন গোলাপগঞ্জের দাড়ীপাতন এলাকায়। দীর্ঘ ৪ বছর ধরে জাহেদ আহমদ পতাকা বিক্রি করছেন। তবে সারাবছর পতাকা বিক্রি করেন না। তিনি একজন মৌসুমী পতাকা ব্যবসায়ী। বছরের ফেব্রুয়ারি, মার্চ ও ডিসেম্বরে পতাকা বিক্রি করে করেন। তবে বছরের অন্যান্য সময় তিনি অন্য কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন।

তিনি জানান, এবার মার্চ মাসে তিনি ১৫ হাজার টাকার পতাকা, হাতের ব্যাজ, বুকের ব্যাজ, মাথায় বাঁধার ফিতা ও ক্যাপ কিনেছেন। সারা মাসই তিনি এগুলো বিক্রি করবেন। তিনি ইতিমধ্যে প্রায় ৯ হাজার টাকার মত জাতীয় পতাকা বিক্রয় করেছেন।

লাল-সবুজের বিভিন্ন সাইজের পতাকাসহ তিনি বিক্রি করছেন হাতের ব্যাজ, মাথার ক্যাপ, বুকের ব্যাজ। এছাড়াও রয়েছে মাথায় বাঁধার লাল সবুজের ছাপাকৃত কাপড়। কাপড়ের পতাকার পাশাপাশি তার কাছে রয়েছে কাগজের পতাকাও। ১০ টাকা থেকে শুরু করে ২০০ টাকা মূল্যের পতাকা রয়েছে। তবে লাল-সবুজের রাবারের হাতের ব্যাজ ৩০ টাকা থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি করেন বলেও জানান তিনি।

গোলাপগঞ্জ চৌমুহনী থেকে পতাকা কিনছিল রাহী আহমদ নামের এক কিশোর। সে জানায়, চলছে স্বাধীনতার মাস, এ মাস আসলেই মনের মধ্যে পতাকা উড়ানোর কেমন একটা অনুভুতি কাজ করে। তাই পতাকা কিনেছি।

মোঃ শাহ আলম, গোলাপগঞ্জ