কালবৈশাখী ঝড়ের তান্ডবে বসতবাড়ী, হরিতলা উচ্চ বিদ্যালয়, পানবরজ, মৌসুমী উঠতি ফসলসহ গাছপালা উপড়ে পড়ে ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে।ছবি : সংগৃহীত

হঠাৎ ঝড়ের তাণ্ডবে এলোমলো হলো কৃষকের ঘর বাড়ি, আবাদি জমি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গাছপালাসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতির শিকার হয়েছে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের দরবস্ত ইউনিয়নের মানুষ।

কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের বগুলাগাড়ী হিন্দুপাড়ার বসতবাড়ি, হরিতলা উচ্চ বিদ্যালয়, পানবরজ, মৌসুমী উঠতি ফসলসহ গাছপালা উপড়ে পড়ে ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে।

বুধবার ভোর ৫টার দিকে প্রচণ্ড গতিতে ঝড়ের তাণ্ডব শুরু হয়। প্রায় ১০মিনিটের ঝড়ে অসংখ্য বসত বাড়ির ঘরের বেড়া, চালা ও পল্লী বিদ্যুৎ সরবরাহের বেশ কয়েকটি খুঁটি তার ছিঁড়ে দুমড়ে-মুচড়ে পড়ে যায়। এতে নিদারুণ কষ্টে পড়েছেন ঝড় এলাকার সর্বস্তরের মানুষ।

অনেকের ঘরের টিনের চাল, বেড়া উঠে যাওয়ায় খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছেন। এসব অপূরণীয় ক্ষয়ক্ষতির দৃশ্য চোখে পড়ে।

দরবস্ত ইউপি চেয়ারম্যান আ.র.ম শরিফুল ইসলাম জর্জ বলেন, প্রকৃতির চিরায়িত এমন কালবৈশাখীতে গ্রামের সর্বস্তরের মানুষের অপূরণীয় ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে বাড়িঘর, হরিতলা বগুলাগাড়ি দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, মন্দির ও এলাকার ফসলের যে ক্ষতি হয়েছে তা অপূরণীয়। প্রাথমিকভাবে ইউপি সচিব, ইউপি সদস্য দায়ীত্বশীল ব্যক্তিবর্গের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সার্বিক খোঁজ-খবর নেয়া অব্যাহত রেখেছে বলে জানান। খবর পেয়ে আমি দুপুরে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন ও তাৎক্ষণিক ব্যক্তিগতভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কামারদহ ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ শরিফুল ইসলাম রতন, ফুলবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মোল্লা, গুমানীগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ এস এম রিপন, কোচাশহর ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন, ইউপি সদস্যবৃন্দ।

আজকের পত্রিকা/ ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা/রাফাত/এমএইচএস/জেবি