চিন্তিত রোগীর স্বজনদের কয়েকজন।

গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভূল ইনজেকশন পুশ করায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ কল্যাণ বিভাগের ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী মরিয়ম সুলতানা মুন্নি।

নার্স রাশিদার দেয়া ভূল ইনজেকশনের কারনে মারাত্মক অসুস্থ অবস্থায় তাকে খুলনা আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তবে তাকে বিকেলে সেখান থেকে ঢাকা নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে স্বজনেরা জানিয়েছে।

২১ মে মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর থেকে হাসপাতাল ছেড়ে পালিয়ে যান ওই নার্স।

ভূল ইনজেকশন পুশের শিকার মরিয়ম সুলতানা মুন্নি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের মোঃ মোশারফ হোসেন বিশ্বাসের মেয়ে।

ওই শিক্ষার্থীর বাবা মোঃ মোশারফ হোসেন বিশ্বাস জানান, পিত্ত থলির পাথর জনিত কারনে আমার মেয়ে মরিয়ম সুলতানা মুন্নিকে ডাক্তার তপন কুমার মন্ডলের কাছে দেখানো হয়।

২০ মে গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাকে দেখ ভাল করেন ডাক্তার তপন কুমার মন্ডল।

২১ মে মঙ্গলবার সকাল ১০টায় ওই শিক্ষার্থীর অপারেশন করার দিন ধার্য করা হয়। ভোর সাড়ে ৫টার দিকে হাসপাতারে নার্স রাশিদা ওই ছাত্রিকে গ্যাসের ইনজেকশনের পরিবর্তে ভূল করে অজ্ঞান করার ইনজেকশন দিয়ে দেয়। এসময় ওই শিক্ষার্থী জ্ঞান হরিয়ে ফেলেন।

পরে বিষয়টি জানাজানি হলে হাসপাতালের পরিচালক ডা.ফরিদুল ইসলামের নেতুত্বে একটি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়। পরে ওই শিক্ষার্থীকে ঢাকায় রেফার করার ঘোষনা দেন।

এ ব্যাপারে গোপালগঞ্জ ২৫০শয্যা হাসপাতালে পরিচালক ডা. ফরিদুল ইসলাম বলেন,কি করে একজন সিনিয়র নার্স ভূল ইনজেকশন পুশ করলেন এটা বোধগম্য নয়। এবিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।তদন্ত শেষে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।তিনি আরো বলেন, রোগীটি যেন ভাল ট্রিটমেন্ট পায় সেজন্য খুলনায় রেফার করা হয়েছে।

মোজাম্মেল হোসেন মুন্না/গোপালগঞ্জ