বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার হত্যাকাণ্ডের পর গৃহীত ব্যবস্থার পর্যালোচনা এবং হত্যাকারীদের দ্রুত শাস্তির দাবিতে ৯ অক্টোবর বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে এক সংবাদ সম্মেলন করেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি।

এ সময় ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, গেস্টরুম ভালো সংস্কৃতি। এখানে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের অনেক নিয়ম-কানুন শেখানো হয়। ছাত্রলীগ এটাকে পজিটিভ হিসেবেই দেখছে। গেস্টরুমে ভালো কিছু শেখানো হয়।

উল্লেখ্য, ৬ অক্টোবর মধ্যরাতে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে শেরেবাংলা হলের দ্বিতীয় তলা থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ৭ অক্টোবর ভোরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

৭ অক্টোবর সোমবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে ঢামেক ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. মো. সোহেল মাহমুদ বলেন, বাঁশ বা স্ট্যাম্প দিয়ে পেটানো হয়ে থাকতে পারে বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদকে। এর ফলেই রক্তক্ষরণ বা পেইনের (ব্যথা) কারণে ফাহাদের মৃত্যু হয়েছে।

এ ঘটনায় জড়িত ১০ জন ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে ইতোমধ্যে। তারা আবরারকে হত্যার কথা স্বীকারও করেছে।

আজকের পত্রিকা/সিফাত