কাঁচা লেবু চুষে খেলে হজমে সাহায্য করবে, বমিভাবও কেটে যাবে। ছবি : সংগৃহীত

দূরে কোথাও ঘুরতে যেতে কে না পছন্দ করে। কিন্তু ভ্রমণে যেমন অনেক আনন্দ আছে, তেমনি কারও কারও আবার ভ্রমণের কথা শুনলেই অস্বস্তি তৈরি হয়। কারণ হলো ভ্রমণে গাড়িতে চড়লেই তাদের মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব দেখা দেয়। যা তাদের ভ্রমণের আনন্দ মাটি করে ফেলে। তাই জেনে নিন, এ ধরনের সমস্যা কমিয়ে আনার কিছু সহজ উপায়-

১) তাজা লেবুর গন্ধ নিমেষে গা গোলানো কমিয়ে দিতে পারে। কাঁচা লেবু চুষে খেলে হজমে সাহায্য করবে, বমিভাবও কেটে যাবে।

২) আদা যে শুধু হজমে সাহায্য করে তা নয়, গা গোলানো, বমিভাব কাটিয়ে দেয়। তাই ভ্রমণের অস্বস্তি এড়াতে মুখে রাখুন আদা কুচি।

৩) আকুপাংচার এবং আকুপ্রেশারেও বমিভাব দূর করতে এই জায়গাটির ব্যবহার করা হয়। আপনার মধ্যমা এবং তর্জনী দিয়ে অথবা বৃদ্ধাঙ্গুলি দিয়ে কবজির প্রেশার পয়েন্টে চাপ দিন। কবজির ভাঁজ থেকে দুই ইঞ্চি ওপরে দুই টেন্ডনের মাঝে চাপ প্রয়োগ করুন।

৪) কাঁচা আপেলের মধ্যে থাকা চিনি অ্যাসিডিটি কমাতে সাহায্য করে। গা গোলাতে শুরু করলে আস্তে আস্তে কাঁচা আপেল কামড়ে খেতে থাকুন।

৫) খুব বেশি গন্ধযুক্ত খাবার খেলে বেশি স্যালাইভা ক্ষরণ হয়। ফলে গা গোলাতে পারে। খেতে পারেন শুকনো ক্র্যাকার।

৬) মধু, পুদিনা পাতা খেলে বমিভাব কেটে যাবে।

৭) কারও কারও ক্ষেত্রে কাজে লাগে এসেনশিয়াল অয়েল। শরীরের অন্যান্য ইন্দ্রিয়কে উদ্দিপ্ত করলে মোশন সিকনেস কেটে যায়।

৮) মোশন সিকনেস কমানোর জন্য অলিভের কোনও তুলনা নেই।

৯) কমলা লেবুর কোয়া বিটনুন লাগিয়ে খেলে বমিভাব, গা গোলানো কমবে। শুধু বিটনুন জিভে দিলেও উপকার পাবেন।

১০) গরম দুধের সঙ্গে দারচিনি মিশিয়ে খেলে বমিভাব কাটে। তবে বাস বা ট্রেনে তা সম্ভব নয়। এক চামচ মধুর সঙ্গে দারচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে খেয়ে নিতে পারেন। অথবা শুধু দারচিনি শুঁকলেও আরাম পাওয়া যাবে।

আজকের পত্রিকা/কেএইচআর/এমএইচএস