করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও গাজীপুরের কোনাবাড়ী আমবাগ ইউনিক স্কুল এন্ড কলেজ নামক একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বেতন আদায়ে চাপ প্রয়োগ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে গত ১৮ই মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

ঈদুল আযহার আগে এসব প্রতিষ্ঠান খোলার সম্ভাবনাও নেই। কিন্তু এই বন্ধের সময়ও স্কুলটির কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করার অভিযোগ পাওয়া যায়।

এ নিয়ে অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ।
অনেকেই জানান, বিষয়টা অভিভাবকদের জন্য বিব্রতকর। সাথে লজ্জাজনকও বটে! গত চার মাস ধরে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেখানে বন্ধ রয়েছে।

সেখানে ফোন করে টাকা চাওয়া কতটা যুক্তিযুক্ত তা ভাববার বিষয়। গত জানুয়ারিতে ভর্তিতে সেশন ফি’র নামে মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়া হয়েছে।

তারপর মাত্র দুমাস স্কুল চলার পরই বন্ধ হয়েছে। পরবর্তীতে কবে স্কুল খুলবে সেটাও অনিশ্চিত। সেখানে স্কুল কতৃপক্ষের বেতনের ভাবনা আসে কোথা থেকে?
আমবাগ এলাকায় বসবাসকারী এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘এই মহামারীর মধ্যেও প্রতিষ্ঠানটি বেতন নেওয়া বন্ধ করেনি।

প্রতি মাসে বেতন পরিশোধের জন্য চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এটা মেনে নেওয়ার মতো না।’

অভিভাবকরা আরও অভিযোগ করেন, প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ বাসায় বাসায় গিয়ে পরীক্ষার নামে ৭০০টাকা করে নিচ্ছে।
যা আমাদের এই মুহূর্তে দেওয়া সম্ভব না।

অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে, ইউনিক স্কুল এন্ড কলেজের পরিচালক মো.আমিনুল ইসলাম আমিন জানান, আমাদেরকে অনেকেই ইচ্ছাকৃতভাবে বেতন দিয়ে যাচ্ছেন।

আমরা কারো কাছে চাচ্ছি না। আমার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সঠিক নয়।

এ বিষয়ে গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আইসিটি ও শিক্ষা আবুল কালাম জানান, দেশের এই দুর্যোগ মুহূর্তে কোন অভিভাবক কে বেতনের জন্য চাপ দেওয়া যাবে না।

যদি কোনরকম চাপ প্রয়োগ করার অভিযোগ পাওয়া যায় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • 447
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    447
    Shares