এই প্রথম নয়, এর আগেও একাধিকবার সমালোচনার মুখে পড়েছেন প্রিয়াঙ্কা। কখনও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সামনে কেন হাঁটুর ওপরে ওঠানো পোশাক পরেছেন প্রিয়াঙ্কা, তা নিয়ে জোর কটাক্ষ করা হয়। আবার কখনও জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক ঘটনায় কেন মুখে কুলুপ এঁটে রয়েছেন পিগি, তা নিয়েও তোলা হয় প্রশ্ন।

তবে সমালোচনার মাঝে সব সময় নিজেকে সংযত রেখেই ক্যামেরার সামনে হাজির হন পিগি চপস। এসব নিয়ে তিনি মাথাই ঘামান না। নিজের মতো করে চলেন।

গ্রামি অ্যাওয়ার্ডের মঞ্চে তারই প্রমাণ মিললো নতুন করে। গেল রবিবার আয়োজিত এই পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া হাজির হয়েছিলো একেবারে চোখ ধাঁধিয়ে। সাদা রঙের নেকলাইন পোশাক পরে বলা চলে মাতিয়ে দিয়েছেন তিনি। স্বামী নিক জোনাসের হাত ধরেই গ্র্যামির মঞ্চে হাজির হন এ বলিউড তারকা।

এর আগে গ্র্যামির আউটিংয়ে সবুজ রঙের নেকলাইন পোশাক পরে হাজির হন জেনিফার লোপেজ। জেনিফারের রাস্তা ধরেই এবার গ্র্যামির মূল অনুষ্ঠানে নজর কাড়েন পিগি। প্রিয়াঙ্কার পোশাক নিয়ে যখন জোর আলোচনা শুরু হয়েছে তার ভক্তদের মধ্যে, সেই সময় সমালোচনাও শুরু করেছেন অনেকে। দেশের কৃষ্টি কালচার ভুলে এরকম খোলেমালা অশালীন পোশাক ভারতীয় অভিনেত্রীকে মানায় না বলে দাবি তাদের।

প্রিয়াঙ্কার সাদা রঙের পোশাক নিয়ে ভক্তদের একাংশ ট্রোল করতে শুরু করেছেন। পিগির পোশাক দেখে কেউ তাকে গালিগালাজও করছেন। আবার কেউ কেউ বলতে শুরু করেছেন, ভয়ঙ্কর পোশাক পরেছেন পিগি। কেউ বলছেন, ডিজাইনার কীভেবে প্রিয়াঙ্কার ওই পোশাক তৈরি করেছেন, তা বোঝা যাচ্ছে না। কেউ কেউ আবার ওই পোশাক দেখে, কুৎসিত বলেও মন্তব্য করেছেন। যদিও হাজার সমালোচনার মুখে পড়েও এ বিষয়ে পালটা মুখ খুলতে দেখা যায়নি প্রিয়াঙ্কাকে।

শুধু প্রিয়াঙ্কা একা নয়, গ্র্যামির অনুষ্ঠানে একসঙ্গে দেখা গেল জোনাস পরিবারের তিন বউকেই। তাদের একত্রে জে সিস্টার্স বলে ডাকা হয়। প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে অন্য দুজন হলেন ড্যানিয়েল জোনাস এবং সোফি টার্নার। তারা যখন স্বামীদের সঙ্গে নিয়ে গ্র্যামির মঞ্চে হাজির হন তখনই ঝলসে উঠতে শুরু করে ক্যামেরার ফ্ল্যাশ।