ভোলার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘ভোলা-বরিশাল ব্রিজ নির্মাণ প্রস্তাবনার অগ্রগতি পর্যালোচনা’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভা

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলির সদস্য ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আলহাজ্ব তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, খুব দ্রুত ভোলা-বরিশাল ব্রীজ নির্মাণের কাজ শুরু হবে।

ভোলাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবী খুব দ্রুত বাস্তবায়ন হবে।

ইতোমধ্যে সম্ভাব্যতা যাচাইর কাজ শেষ হয়েছে। তিনি বলেন, ভোলা-বরিশাল ব্রিজ হলে দেশের মূল ভূখন্ডের সাথে ভোলার সড়ক পথে যোগাযোগ ব্যবস্থা হবে।

ভোলার গ্যাস ব্যবহার করে ভোলায় গড়ে উঠবে বড় বড় শিল্প কলকারখানা। ভোলাকে আধুনিক জেলা হিসাবে গড়ে তোলা হবে। পর্যটনের দিক থেকেও ভোলা অনেক দূর এগিয়ে যাবে

বৃহস্পতিবার দুপুরে ভোলার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘ভোলা-বরিশাল ব্রিজ নির্মাণ প্রস্তাবনার অগ্রগতি পর্যালোচনা’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তোফায়েল আহমেদ এসব কথা বলেন।

এ সময় তোফায়েল আরো বলেন, ভোলা-বরিশাল ব্রিজের পর ভোলা-লক্ষ্মীপুর ব্রিজও নির্মাণ করা হবে।

তখন চট্রগ্রাম থেকে লক্ষ্মীপুর হয়ে সড়ক পথে ভোলা হয়ে বরিশাল দিয়ে পটুয়াখালীর পায়রা বন্দর এবং খুলনার মংলা বন্দর পর্যন্ত সংযোগ স্থাপন হবে।

অনুষ্ঠানে সেতু সচিব মো: বেলায়েত হোসেন বলেন, ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ কঠিন হলেও অসম্ভব নয়। ২০২১ সালে সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে ২০২৫ সালের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার কথা রয়েছে। তিনি জানান, ভোলা-বরিশাল ব্রিজ হবে প্রায় ১০ কিলোমিটার।

এরমধ্যে বরিশালের কালাবদর নদীর উপর প্রায় সাড়ে ৩ কিলোমিটার এবং ভোলার তেতুলিয়া নদীর উপর দেড় কিলোমিটার মূল সেতু নির্মাণ হবে।

এ ছাড়া মধ্যবর্তী চরগুলোতে ছোট ছোট পিলারের উপর সেতু থাকবে। সেতুর ব্যাপারে আগামী সপ্তাহে চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করা হবে বলেও জানিয়েছেন সেতু সচিব।

ভোলার জেলা প্রশাসক মো: মাসুদ আলম ছিদ্দিক এর সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরনবী চৌধুরী শাওন, খাদ্য সচিব মো: সাহাবুদ্দিন আহমেদ, ভূমি সচিব মো: মাকছুদুর রহমান পাটওয়ারী, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল মমিন টুলু, জেলা পুলিশ সুপার সরকার মো: কায়সার, পৌর মেয়র মনিরুুুজ্জজমান, জেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাইনুল হোসেন বিপ্লব প্রমূখ।

পরে তোফায়েল আহমেদ, সেতু সচিবসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে সাথে নিয়ে তেতুলিয়া নদীর তীরে ভোলা-বরিশাল ব্রিজের সম্ভাব্য সাইট পরিদর্শন করেন।

আবদুল মালেক/ভোলা