বুড়িগঙ্গা নদী।

হবিগঞ্জে জমির জন্য ভাতিজাকে অপহরণের পর খুন করে বুড়িগঙ্গা নদীতে লাশ ফেলে দিয়েছিল বিজিবি সদস্য চাচা সাদেক মিয়া। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে বেওয়ারিশ হিসেবে আঞ্জুমানে মুফিদুল ইসলামের মাধ্যমে তাকে ঢাকার জুরাইন কবরস্থানে দাফন করে।

নিহত দুলা মিয়া জেলার চুনারুঘাট উপজেলার পাট্টাশরিফ গ্রামের বাসিন্দা। ১৭ জুলাই বুধবার দুুপুরে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা।

পুলিশ সুপার বলেন, এক কিশোরের তোলা মাইক্রোবাসের ছবির উপর ভিত্তি করেই হত্যা রহস্য উদঘাটন করে পুলিশ। এ ঘটনায় ইতিমধ্যে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- মোঃ আফরাজ মিয়া, মাইক্রোবাস চালক ইউসুফ সরদার, মামুন মিয়া, জসিম উদ্দিন ও শামীম সরদার। এদের মধ্যে ইউসুফ সরদার ও মামুন মিয়া আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। জবানবন্দিতে তারা হত্যাকান্ডের লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছে।

তারা জানায়, বিজিবি সদস্য সাদেক মিয়ার পরিকল্পনায় গত ১৭ জুন হবিগঞ্জের শাকির মোহাম্মদ এলাকা থেকে দুলা মিয়াকে অপহরণ করে। পরে সাদেক মিয়াসহ ৪ জন মিলে ঢাকার হাজারীবাগ এলাকার সিকদার মেডিকেলের পেছনে বুড়িগঙ্গা নদীর পাড়ে নিয়ে হত্যা করে লাশ বস্তার ভেতর ভরে পানিতে রেখে আসে। পরদিন তার মৃতদেহ উদ্ধার করে হাজারীবাগ থানা পুলিশ।

তবে বিজিবি সদস্য সাদেক মিয়াকে এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। তিনি জানান, নিহত দুলা মিয়ার মরদেহ তার নিজ বাড়িতে আনার জন্য আইনগত সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

এদিকে দুলা মিয়া অপহরণের পর ১৯ জুন এ ঘটনায় চুনারুঘাট থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন তার ভাই ইদু মিয়া।

আজকের পত্রিকা/এমএআরএস