সাধারণত আপনার খাওয়ার অভ্যাসের কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য শুরু হয়। ছবি: সংগৃহীত

পেটের সমস্যা আপনার সুস্থ জীবনধারা নষ্ট করে দিতে পারে। কোষ্ঠকাঠিন্য এক ধরনের সমস্যা, যা তীব্র অস্বস্তি সৃষ্টি করতে পারে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথের মতে, কেউ যদি পর্যাপ্ত পরিমাণ আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ করার পরও প্রতি সপ্তাহে তিনবারের কম পায়খানায় যান, তখনই এই অবস্থাকে কোষ্ঠকাঠিন্য বলা হয়। এনআইএইচ হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী প্রায় ৪২ মিলিয়ন মানুষ এই সমস্যায় ভুগছে।

এটি সাধারণত আপনার খাওয়ার অভ্যাসের কারণে শুরু হয়। কোষ্ঠকাঠিন্য পরিত্রাণ পেতে আপনার কিছু খাবার এড়ানো দরকার। যেমন-

দুগ্ধজাত পন্য

শরীরে দুধের চিনির প্রক্রিয়া শেষ পর্যন্ত কোষ্ঠকাঠিন্যর প্রক্রিয়া জটিল করতে পারে। ছবি: সংগৃহীত

আপনার যদি কোষ্ঠকাঠিন্য হয় তবে দুগ্ধজাত পন্যগুলো এড়িয়ে চলুন। বিশেষত যদি আপনি ল্যাকটোজ অসহিষ্ণু হন। শরীরে দুধের চিনির প্রক্রিয়া শেষ পর্যন্ত কোষ্ঠকাঠিন্যর প্রক্রিয়া জটিল করতে পারে।

তেলে ভাজা খাবার

উচ্চ-চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ায় হজমে সমস্যা হতে পারে। ছবি: সংগৃহীত

এই খাবারগুলোতে চর্বি বেশি থাকে। এটি ফাইবার সরবরাহ করে না। উচ্চ-চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ায় হজমে সমস্যা হতে পারে। স্ন্যাকস জাতীয় খাবার, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, চিকেন ফ্রাই, পটেটো চিপস বা ওই জাতীয় তেলে ভাজা খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।

কাঁচা কলা

কাঁচা কলা আপনার শরীরকে কষা করে ফেলে। ছবি: সংগৃহীত

আপনার কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে কাঁচা কলা এড়িয়ে চলুন। কারণ কাঁচা কলা আপনার শরীরকে কষা করে ফেলে। তবে যদি আপনি পাকা কলা খান, তাহলে কোষ্ঠকাঠিন্য উপশম হতে পারে।

সাদা ভাত

সাদা ভাতে ফাইবারের অভাব থাকে। ছবি: সংগৃহীত

আপনি যদি কোষ্ঠবদ্ধ হন, তবে এই খাদ্য আপনাকে অবশ্যই বাদ দিতে হবে। সাদা ভাতে ফাইবারের অভাব থাকে। তাই যদি আপনার যদি কোষ্ঠকাঠিন্য হয়, তাহলে আপনি বাদামী চাল খেতে পারেন। কারণ এতে ফাইবার আছে।

হিমায়িত খাদ্য

হিমায়িত খাবারে পুষ্টির মান কম, ফাইবার কম এবং চর্বি আছে উচ্চ মাত্রায়। ছবি: সংগৃহীত

এই খাবারে পুষ্টির মান কম, ফাইবার কম এবং চর্বি আছে উচ্চ মাত্রায়। অতএব, যদি আপনার কোষ্ঠকাঠিন্য হয়, তবে হিমায়িত খাদ্য আইটেম খাওয়া এড়াতে হবে।

আজকের পত্রিকা/রিয়া/সিফাত