গাজীপুরের বিভিন্ন স্থানে অভিনব কায়দায় হাতি দিয়ে হাজার হাজার টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া গেছে। হাতি দিয়ে চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। হয়রানি থেকে হাতির মালিকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানিয়েছে ভূক্তভোগীরা।

অভিযোগে জানা গেছে, এক শ্রেনীর ধান্দাবাজা-প্রতারকচক্র পাহাড়ী কোন হাতির মালিককে ভাড়া করে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মহানগরীর বিভিন্ন পাড়া মহল্লায়, বাজারে ও গুরুত্বপূর্ন মহাসড়কে ঘুরে বেড়ায়।

চালায় দেদারছে চাঁদাবাজি। এ সময় তারা ব্যবসায়ীদের অনেকটা জিম্মি করে ১০, ২০, ৫০, ১০০ টাকা থেকে শুরু করে মোটা অংকের আদায় করে। টাকা দিতে না চাইলে হাতির শুড় দিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালামাল নষ্ট করার চেষ্টা করে।নষ্ট করার ভয়ে সবাই আগেই দিয়ে দেন।
হাতির অত্যাচারে মহানগরীর কোনাবাড়ী, বাইমাইল,জরুন,আমবাগ নছের মার্কেট এলাকার ব্যবসায়ীরা অতিষ্ঠ।

অনেক সময় তারা পথচারিদের পথরোধ করেও টাকা আদায় করে। শুধু তাই নয়, বড়-শড় একটি হাতি প্রধান সড়কের মাঝে দাঁড় করে যানবাহন থেকেও চাঁদাবাজি করছে। এতে অনেক সময় সড়ক গুলোতে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়ে দূর্ভোগের শিকার হতে হয় সাধারণ মানুষ।

এছাড়াও যদি গাড়িটি হয় কোটি টাকা উপরে তাহলেতো রেহাই নেই, দিতে হয় ৫’শ থেকে হাজার টাকা।

তাছাড়া এসব হাতি এলোপাথাড়ি ভাবে সাধারণ মানুষের কলাগাছসহ বিভিন্ন গাছ খেয়ে ফেলে। এতে কিছুই কারার থাকেনা গাছের মালিকদের।কোনাবাড়ী কুদ্দুস নগর এলাকার রফিকুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, এমনিতেই ব্যবসা বাণিজ্যে মন্দা। অনেক সময় দোকানে সারা দিন বিক্রিই হয়না। সন্ধার সময় হাতি এসে হাজির। টাকা দিতেই হবে, না দিলে শুড় দিয়ে দোকানের মালামাল ক্ষতিসহ নানা ভাবে নাজেহাল হতে হয়।

এবিষয়ে কোনাবাড়ী থানার পরিদর্শক অপারেশন রাফিউল করিম রাফি জানান, কোনাবাড়ী থানা এলাকায় যদি কোন রকম হাতি ধারা সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হয় এবং আমাদেরকে যদি কেউ অবগত করে অবশ্যই আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ কররো।

মো.শহিদুল ইসলাম/গাজীপুর