১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০০ সালে গুজরানওয়ালার জিন্নাহ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত পাকিস্তান বনাম শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের মধ্যেকার একদিবসীয় ক্রিকেট খেলার মাধ্যমে আম্পায়ার হিসেবে অভিষেক ঘটান।ছবি:সংগৃহীত

ক্রিকেট বিশ্বে বাংলাদেশের ক্রিকেট ভক্তদের জন্য এক বিতর্কিত নাম আলীম দার। পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের ঝংয়ে তার জন্ম।

এই পাকিস্তানি আইসিসি’র সেরা আম্পায়ার তালিকার অন্যতম সদস্য। যদিও ক্রিকেটার হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল তার। ডানহাতি ব্যাটসম্যান এবং লেগ-ব্রেক বোলার হিসেবে তিনি এলাইড ব্যাংক লিমিটেড, গুজরানওয়ালা ক্রিকেট এসোসিয়েশন, লাহোর ক্রিকেট দল এবং পাকিস্তান রেলওয়েজ ক্রিকেট দলের পক্ষ হয়ে খেলেছেন।

অবসরগ্রহণের পর থেকে তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে প্রথম সারির আম্পায়ার রূপে পরিচিত হয়ে আসছেন। লাহোরের সিভিল লাইন্স এলাকায় অবস্থিত ইসলামিয়া কলেজ থেকে তিনি শিক্ষাগ্রহণ করেন।

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০০ সালে গুজরানওয়ালার জিন্নাহ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত পাকিস্তান বনাম শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের মধ্যেকার ওয়ানডে ম্যাচের মাধ্যমে আম্পায়ার হিসেবে অভিষেক ঘটে তার। ২০০২ সালে তিনি আইসিসি’র আম্পায়ারদের আন্তর্জাতিক প্যানেলে সদস্যরূপে অন্তর্ভুক্ত হন। ২০০৩ সালের শুরুতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ক্রিকেটেও আম্পায়ারিংয়ে তিনি অন্যান্য সেরা আম্পায়ারদের সহযোগী ছিলেন। অক্টোবর, ২০০৩ সালে তিনি সেরা আম্পায়ারিত্ব করেন ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে।সেখানে তিনি বাংলাদেশ বনাম ইংল্যান্ডের মধ্যকার খেলার মাধ্যমে টেস্টে আম্পায়ারের অভিষেক ঘটান। কিন্তু এ পর্যন্ত তিনি পাকিস্তানের কোনো টেস্ট ম্যাচে আম্পায়ারিত্ব করেননি। এর প্রধান কারণ হচ্ছে আম্পায়ারদের আন্তর্জাতিক তালিকা প্রবর্তনের পর সকল টেস্ট ম্যাচ নিরপেক্ষ আম্পায়ার দ্বারা পরিচালিত হয়।

১৪ আগস্ট, ২০১০ সালে পাকিস্তান সরকার তাঁকে প্রাইড অব পারফরমেন্স পদকে ভূষিত করে সবিশেষ সম্মানিত করেছিল।

কিন্তু বাংলাদেশের ক্রিকেট ভক্তদের কাছে আলীম দার এক বিতর্কিত ও সমালোচিত নাম। বলা হয়ে থাকে ২০১৫ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আলীম দারের বাজে আম্পায়ারিংয়ের শিকার হয়েছি বাংলাদেশ। ২০১৯ সালের বিশ্বকাপ আসরে বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তান ম্যাচে লিটন দাসের ক্যাচ আউটের সিদ্ধান্তটিও বিতর্কিত হয় ক্রিকেট বিশ্বে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে এ নিয়ে বর্তমানে চলছে আলীম দারের সমালোচনা।

আজকের পত্রিকা/এসএমএস