"সুপার টাস্কারস" হাতি। ছবি: সংগৃহীত

নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা যাবে না যে পৃথিবীতে এই ধরনের এত বড় হাতি ছিল। ৬০ বছরেরও বেশি সময় ধরে হাতিটি এফ_এমইউ১ নামে পরিচিত ছিল।

“সুপার টাস্কার” বয়সের কারণে রোগা ছিল তবুও সোজা দাঁড়িয়ে ছিল। ছবি: সংগৃহীত

‘রানী হাতি’ এখন আর বেঁচে নেই। বার্ধক্যজনিত কারণে স্বাভাবিকভাবে তার মৃত্যু হয়েছে।

আফ্রিকাতে এখন ৩০ টির বেশি “সুপার টাস্কারস” রয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

কেনিয়ার সমভূমি টসাভোতে এর বিচরণ ছিল। হাতিটি আফ্রিকার শেষ অবশিষ্ট ‘সুপার টাস্কারস’ বা ‘বড় হস্তিদন্ত’ ছিল। তাদেরকে ‘সুপার টাস্কারস’ নামে ডাকা হতো কারণ তাদের দাঁত এত বড় ছিল যে তা মাটি স্পর্শ করত।

তার দাঁত এত বড় ছিল যে তা মাটি স্পর্শ করত। ছবি: সংগৃহীত

ব্রিটিশ ফটোগ্রাফার উইল বুররার্ড লুকাস এই ‘রানী হাতির’ মৃত্যুর কিছুদিন আগে অবিশ্বাস্য কিছু ছবি তার ক্যামেরায় বন্দি করেছিলেন। আফ্রিকাতে এখন ৩০ টির বেশি ‘সুপার টাস্কারস’ রয়েছে।

কেনিয়ার সমভূমি টসাভোতে এর বিচরণ ছিল। ছবি: সংগৃহীত

এক সাক্ষাৎকারে উইল বলেছেন, ‘যদি হাতিদের রানি হতো, তবে নিশ্চিতভাবেই ওই-ই হতো রানি।

“যদি হাতিদের রানী হত, তবে নিশ্চিতভাবেই ওই হাতিই রানী হত।” ছবি: সংগৃহীত

 

এই পায়ের উপরে ভর করে হাতির বিশাল দেহ দাঁড়িয়ে থাকে। ছবি: সংগৃহীত

আজকের পত্রিকা/বিএফকে /এমএইচএস