কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এর সাথে মন্ত্রণালয় তার অফিস কক্ষে ঢাকায় নিযুক্ত চিনের রাষ্ট্রদূত ঝং জুয়া’র সাথে সাক্ষাৎ। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের উন্নয়নে অন্যতম সহযোগী চীন জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। ১৬ মে বৃহস্পতিবার কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এর সাথে মন্ত্রণালয় তার অফিস কক্ষে ঢাকায় নিযুক্ত চিনের রাষ্ট্রদূত ঝং জুয়া’র সাথে সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেন। এছারা দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট নানা বিষয় কথা হয়।

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক, কৃষি, বিনিয়োগ এবং শিল্প-বাণিজ্যে চীনের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কের আরও উন্নয়ন চায় সরকার। কৃষি খাতে চীনের ৩৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ করেছে চীনের এক কোম্পানি।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চীনের সঙ্গে যে সম্পর্কের সূচনা করেছিলেন, তা আরও টেকসই করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চায় বাংলাদেশ । দেশের অর্থনৈতিক অঞ্চল, অবকাঠামো উন্নয়ন, বিদ্যুৎ ও যোগাযোগসহ অনেক মেগা প্রকল্পে চীনের অংশগ্রহণ রয়েছে ।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘চীন – বাংলাদেশে কৃষি প্রধান দেশ, দুই দেশের শিল্প সংস্কৃতিতে একটা মিল রয়েছে । কৃষি শিল্পের উন্নয়নে চিনের সহযোগিতা সব সময় কাম্য’।

সরকারের দূরদর্শিতা ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে সক্ষম হয়েছে। শুধু তাই নয়, বৈশ্বিক দারিদ্র্য বিমোচনেও বাংলাদেশের অবদান অনস্বীকার্য। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক বিশ্বায়নের সুযোগ কাজে লাগিয়ে উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলছে।

কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নে সবসময় পাশে থাকবে চীন। কৃষি খাতে ৩৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ করছে চীনের এক কোম্পানি, তারা এদেশে ৩টি কৃষি প্রক্রিয়াজাত শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন করবে। চীন বাংলাদেশ থেকে কৃষিজাত পণ্য আমদানি করবে। বাংলাদেশে চলমান রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান চায় বেইজিং।

রোহিংঙ্গা জনগোষ্ঠী নিরাপদে যথাযথ সম্মান ও মর্যাদার সহিত মায়ানমারে ফেরত যাবে এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। রোহিংঙ্গা সমস্যা সমাধানে বেইজিং বাংলাদেশের সাথে আছে। এছাড়াও সন্ত্রাস,জোঙ্গিবাদ ও নাশকতা দমনে চিন বাংলাদেশ একসাথে কাজ করবে।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, চলমান ধানের দাম নিয়ে সরকার বেশ গুরুত্বের সাথে কাজ করছে। কৃষক তার কৃষি পণ্যের ন্যায মূল্য পাচ্ছে না। কি? কি? পদক্ষেপ নিলে এই পরিস্থিতি মোকাবেলা করে কৃষকের মুখে হাসি ফোটানো যায়,এক্ষেত্রে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। এই মুহুর্তে চাল রপ্তানির কথা ভাবছে সরকার’।

আজকের পত্রিকা/আর.বি/আ.স্ব