কুলিয়ারচরে সাক্ষীর পা কেটে ফেলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে হত্যা মামলার সাক্ষীর পা কেটে ফেলার দায়ে তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অপর দু’জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত অসামিদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও দেয়া হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় দুই আসামিকে বেকসুর খালাস প্রদান করে আদালত।

রোববার দুপুরে কিশোরগঞ্জের ১নং অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আব্দুর রহিম আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন ।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন কুলিয়ারচর উপজেলার ভাটিজগৎচর গ্রামের কসাই তাজুল ইসলাম, গোলাপ মিয়া ও বিল্লাল মিয়া।

এছাড়া একই গ্রামের আবু কালামকে তিন বছরের কারাদণ্ডসহ পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা এবং শামছু মিয়াকে এক বছরের কারাদণ্ডসহ পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার ভাটিজগৎচর গ্রামে ২০০৫ সালের ১২ ডিসেম্বর সকালে হাছেন আলী প্রধান ওরফে হাছু হত্যা মামলার ১নং সাক্ষী মনির উদ্দিনকে জাফরাবাদ মোড়ের একটি চায়ের দোকান থেকে জোর করে ধরে নিয়ে যায় আসামিরা। পরে একটি চাতাল কলে নিয়ে গাছের সঙ্গে হাত-পা বেঁধে কুঁড়াল দিয়ে কুপিয়ে তার ডান পা কেটে ফেলে আসামিরা।

ঘটনার দুই মাস পর ২০০৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি আহত মনির উদ্দিনের বড় ভাই মো. সিরাজ মিয়া বাদি হয়ে আটজনের নামোল্লেখ করে কুলিয়ারচর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত আজ এই রায় ঘোষণা করেন।