সাংবাদিকদের সাথে নবাগত ওসির মতবিনিময়।

নির্বাচনকালীন সময়ে প্রশাসন পর্যায়ে যে বদলী হয় সেটি অত্যন্ত চৌকুস অফিসারদের শূন্য পদে পদায়ন করা হয়। গেল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ শামীম মুসার বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে দেয়া অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে সিআইডিতে বদলী করা হয়। ওই স্থানে কুলাউড়া থানায় নতুন অফিসার ইনচার্জ ইয়ারদৌস হাসানকে নিয়োগ দেয়া হয়।

নবাগত ওসি ইয়ারদৌস হাসান ২১ মার্চ বৃহস্পতিবার কুলাইড়ায় কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।

কুলাউড়া থানা পুলিশের আয়োজনে থানা প্রাঙ্গনে মতবিনিময়কালে নবাগত ওসি ইয়ারদৌস হাসান বলেন, পুলিশ ও সাংবাদিকদের লক্ষ্য এক। পুলিশ ও সাংবাদিক একে অপরের পরিপূরক। সাংবাদিকদের কাজ অপরাধ তুলে ধরা। আর পুলিশের কাজ অপরাধ নির্মুল করা। তিনি সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, যতদিন কুলাউড়ায় থাকবো ততদিন কুলাউড়ার অপরাধ দমনে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।

মতবিনিময়ে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কুলাউড়া থানার ওসি (তদন্ত) সঞ্জয় চক্রবর্তী, কুলাউড়া প্রেসক্লাব সভাপতি দৈনিক সমকালের প্রতিনিধি এম শাকিল রশীদ চৌধুরী ও সম্পাদক আমাদের সময় প্রতিনিধি মোঃ খালেদ পারভেজ বখশ, দৈনিক আজকের বিজনেস বাংলাদেশ এর সিলেট ব্যুরো চিফ সাংবাদিক ময়নুল হক পবন, যুগান্তরের উপজেলা প্রতিনিধি আজিজুল ইসলাম, নিউ নেশনের প্রতিনিধি এম মছব্বির আলী, কুলাউড়া সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মোক্তাদির হোসেন, সম্পাদক নাজমুল ইসলাম, কুলাউড়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সৈয়দ আশফাক তানভীর, সম্পাদক মাহফুজ শাকিল প্রমুখ।

উল্লেখ্য কুলাউড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দু’দিন পুর্বে ১৬ মার্চ কুলাউড়া থানার ওসি মোঃ শামীম মূসাকে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে ঢাকা সিআইডিতে বদলি করা হলে বদলীর ১ দিন পর নির্বাচনের পুর্বরাতে ১৭ মার্চ টুঙ্গিবাড়ী থানার ওসি ইয়ারদৌস হাসান বদলী হয়ে মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া থানায় একই পদে যোগদান করেন।

তিনি ২০০১ সালে সাব-ইন্সপেক্টর হিসেবে পুলিশ বিভাগে যোগ দান করেন। প্রথমে ময়মনসিংহের কতোয়ালীয় থানায় যোগদান করেন। তার গ্রামের বাড়ি ঢাকা জেলার দোহার থানায়।