মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার গাজীরপুর রেঞ্জের বরমচাল বিট সংলগ্ন ইছলাছড়া বিজ্রিং এলাকায় জবর দখলকৃত সরকারী খাসভূমি বনাঞ্চলের খাসভূমি থেকে নিয়মিত বৃক্ষ নিধন করে আসছে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র।

সম্প্রতি বন বিভাগের অভিযানে টনক নড়েছে ঐ চক্রটি। ২১ জানুয়ারী কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম ফরহাদ চৌধুরী সরেজমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের এর নির্দেশ দিয়েছেন বন বিভাগকে ।

পরির্দশনকালে রেঞ্জ কর্মকর্তা এনামুল হক , সহকারী রেঞ্জ কর্মকর্তা রিয়াজ উদ্দিন, বরমচাল বিট কর্মকর্তা আহমদ আলী, ইউনিয়ন সহকারী বিট কর্মকর্তা মৃণাল কান্তি দেব উপস্থিত ছিলেন।


বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সরকারি রির্জাব ফরেষ্ট এর অদূরে গোচারণ ভূমির ইছলাছড়ার মৌজার জবর দখলকৃত ১নং খতিয়ানের খাস ভূমি থেকে ৩দফা অভিযান পরিচালনা করে আকাশমনি গোল কাঠ (৯টুকরা), আকাশমনি বলি (৬২ টুকরা)­, জ্বলানী কাঠ (১০৫ ঘনফুট) জব্দ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় বরমচাল বিট কর্মকর্তা আহমদ আলী বাদী হয়ে বন আইনে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে । যার নং ০৪ বরম/২০১৯-২০।

গাছ পাচারের খবর পেয়ে বন বিভাগ গত ১৮জানুয়ারী ভোর থেকে অদ্যবধি ৩দফা অভিযান পরিচালনা করে ১৩০টি গাছের সমুদয় উদ্ধার করে বন আইনে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এটিএম ফরহাদ চৌধুরী জানান, বরমচালে গাছ পাচারের স্পটটি সরকারি রির্জাব ফরেষ্টেএর ভিতরে নয় তবে কাছাকাছি।

খাস ভূমি থেকে ১৩০টি গাছ কর্তন করতে অনেক সময় লেগেছে। আমি এ খবর ভিন্ন মাধ্যমে পেয়েছি। তাই দায়িত্বে গাফলতির জন্য সংশ্লিদের সকোজ করা হয় এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা দিতে বন বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছি।