ধর্ষণ প্রতীকী ছবি

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার কংশনগর গ্রামের এক কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সোহেল (২০) নামের এক ব্যক্তি ২বছর ধরে ধর্ষণ করে আসছে বলে জানা গেছে।

এই ঘটনায় কিশোরীর পিতা নান্নু মিয়া বাদী হয়ে ১৪ মে মঙ্গলবার কুমিল্লা জেলা আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার প্রেক্ষিতে দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ীর উপ পরিদর্শক (এস আই) মোহাম্মদ শাহিন কাদির মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে ধর্ষক সোহেলকে গ্রেফতার করে।

মামলা বিবরণে জানা যায়, জেলার বুড়িচং উপজেলার ভারেল্লা উত্তর ইউনিয়নের কংশনগর গ্রামের রিকশা চালক নান্নু মিয়া ঢাকা শহরে রিকশা চালাতেন, তার স্ত্রী ধর্ষণের শিকার কিশোরীর মা ফরিদা আক্তার একজন মানসিক রোগী। এই সুযোগে একই গ্রামের মোঃ নজির আহমেদের ছেলে সোহেল (২০) বিগত দুই বছর ধরে ওই কিশোরীকে বিভিন্ন সময় সুযোগ বুঝে ধর্ষন করত। গত ২৪ এপ্রিল রাত ১ টায় সোহেল বাড়ির লোকজনের অজান্তে কিশোরীর ঘরে প্রবেশ করে দৈহিক সম্পর্ক করতে চায়।

এসময় কিশোরী সোহেলকে বিয়ের জন্য চাপ দেয়। সোহেল বিয়ে করবেনা বলে জানায় এবং জোর পূর্বক ভাবে কিশোরীটিকে ধর্ষণ করে।

পরে, মেয়েটি বিষয়টি তাঁর বাবা ও পরিবারের অন্যান্য লোকজনদেরকে জানায়। কিশোরীর বাবা ও পরিবারের অন্যান্য লোকেরা সোহেলকে বিষয়টি জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে তাদের বিভিন্ন ভাবে ভয়-ভীতি দেখায়।

১৫ মে বুধবার সকালে বুড়িচং থানা পুলিশ অভিযুক্ত সোহেলকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করে ।

মাছুম কামাল/কুমিল্লা মহানগর/এমএআরএস