সংঘর্ষের প্রতিবাদে স্থানীয় রাজনৈতিক দল ‘দ্য জয়েন্ট রেজিসটেন্স লিয়ারশিপ’ (জেআরএল) ১৭ মে শুক্রবার কাশ্মীর জুড়ে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে ১৬ মে বৃহস্পতিবার সেনাবাহিনী ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন। সংঘর্ষে নিহতদের মধ্যে ৩ জন জইশ-ই-মোহাম্মদ জঙ্গি (যাদের একজন পাকিস্তানি কমান্ডার), স্থানীয় বিচ্ছিন্নতাবাদী দল হিজবুল মুজাহিদিনের ২ সদস্য, ২ জন ভারতীয় সেনা এবং ২ জন বেসামরিক নাগরিক রয়েছেন।

১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামায় ভারতীয় জওয়ানদের গাড়ি বহরে জঙ্গি হামলায় ৪০ জন জওয়ান নিহত হওয়ার পর কাশ্মীরে একদিনে এটাই সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা। ওই ঘটনার পর থেকে মুসলমান অধ্যুষিত কাশ্মীরে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পুলওয়ামায় হামলার পর জঙ্গি আক্রমণ প্রতিরোধে সেনাবাহিনীকে ‘অবাধ ক্ষমতা’ দিয়েছেন। সেনাবাহিনী তল্লাশি অভিযানে বেসামরিক নাগরিকদের ব্যবহার করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে যা নিয়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

গ্রামবাসীরা জানান, ‘নিহতদের একজন রইস আহমদ দার (৩২)। ভারতীয় সেনাবাহিনী একটি বাড়িতে জঙ্গিরা লুকিয়ে আছে সন্দেহে তল্লাশি করতে গিয়ে প্রথমে রইসকে ভেতরে পাঠায়’।

অভিযোগ অস্বীকার করে পুলিশের এক মুখপাত্র বলেন, ‘রইস দুই পক্ষের গোলাগুলির মধ্যে পড়ে মারা গেছেন। তাকে তল্লাশি করতে পাঠানো হয়নি।”

এদিকে সংঘর্ষের প্রতিবাদে স্থানীয় রাজনৈতিক দল ‘দ্য জয়েন্ট রেজিসটেন্স লিয়ারশিপ’ (জেআরএল) ১৭ মে শুক্রবার কাশ্মীর জুড়ে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে।

আজকের পত্রিকা/বিএফকে/এমএআরএস