গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার পল্লীবিদ্যুৎ এলাকা থেকে অপহরণের ১৮দিন পর সেফটি ট্যাংকি থেকে অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার সকালে নিহতের মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহিদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরন করেন। এর আগে বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে কালিয়াকৈর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের পল্লীবিদ্যুৎ এলাকার ইয়াকুব শেখের বাড়ির সেফটি ট্যাংকি থেকে অর্ধগলিত মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত অহিরুল ইসলাম পাবনার জেলার আট ঘড়িয়া থানার ভরত পুর গ্রামের মো. ফজলুল হকের ছেলে এবং তিনি দীর্ঘ দিন যাবৎ কালিয়াকৈর পৌরসভার পূর্বচান্দরা কাঠাতলা এলাকার আঃ মালেকের বাড়িতে বাসা ভাড়া থেকে স্থানীয় ময়েজ উদ্দিন টেক্সটাইল মিলে চাকরি করে আসছিল। এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে ৩ জনকে আটক করে থানা পুলিশ ।

কালিয়াকৈর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মাহবুব আলম জানান, গত ৬ আগষ্ট ঈদের ছুটিতে অহিরুল ইসলাম বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্যে ভাড়া বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। পরে স্বজনদের মোবাইলে অহিরুলকে অপহরণ করা হয়েছে বলে জানায় দুর্বৃত্তরা এবং মুক্তিপন হিসেবে ১৫ লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে তাকে হত্যার হুমকি দেয় অপহরণকারীরা। পরে ২০ আগষ্ট নিহতের চাচাতো ভাই মো. পা াব আলী বাদি হয়ে কালিয়াকৈর থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করে।

মামলার প্রেক্ষিতে স্থানীয় ইয়াকুব শেখের বাড়ির ভাড়াটিয়া মো. শামীম হোসেনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং তার স্বীকারুক্তি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে পুলিশ অভিযান চালিয়ে কালিয়াকৈর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড এলকার মেম্বার বাড়ি মোড় এলাকার ইয়াকুব শেখের বাড়ীর সেফটি ট্যাঙ্কি থেকে অহিরুল ইসলামের অর্ধগলিত মরদেহটি উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে মো. ইয়াকুব শেখ ও তার ছেলে মো. কামরুল শেখকে আটক করে পুলিশ।

মো. তুহিন মোল্লা/কালিয়াকৈর/গাজীপুর