শহীদ বুদ্ধিজীবি শহীদ ড. আবুল খায়ের এবং শহীদ মুহাম্মদ ইয়াকুব মিয়া

আজ ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস। বাঙালী জাতির ইতিহাসে এটি বেদনাদায়ক দিন। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর বাঙালীর বিজয় নিশ্চিত জেনে প্রথিতযশা ও খ্যাতনামা বুদ্ধিজীবিদের নির্বিচারে হত্যা করে বাংলাদেশকে মেধাশূণ্য করার অপচেষ্টা চালায় পাক হানাদার বাহিনী। এ বর্বর হত্যা বিশ্বব্যাপী নিন্দিত।

১৪ই ডিসেম্বর সারা জাতি গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের। স্বাধীনতার ৪৮ বছর পরেও জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের পরিবার পাননি তাদের প্রাপ্ত সম্মান। পিরোজপুরের কাউখালীর এই দুই কৃতি সন্তানের অবদানের কথা ভুলে গেছে নতুন প্রজন্ম।

বাঙালী জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান কাউখালী উপজেলার দুই শহীদ বুদ্ধিজীবি শহীদ ড. আবুল খায়ের এবং শহীদ মুহাম্মদ ইয়াকুব মিয়াকে স্মরণ করছে গভীর শ্রদ্ধাভরে পিরোজপুরের কাউখালীবাসী। গোটা জাতি যাদের নিয়ে গর্ব করে সেরকম দুই কৃর্তি সন্তানের জন্ম পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলায়।

কাউখালী উপজেলার কাঠালিয়া গ্রামে শহীদ ড. আবুল খায়ের জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের রিডার ছিলেন।

তিনি ছিলেন বাঙালী জাতির স্বাধীনতার একজন প্রবক্তা। ১৯৭১ সালের ১৪ই ডিসেম্বর পাকিস্তানী দোষররা তাঁকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোয়াটার থেকে ধরে নিয়ে রায়ের বাজারে (বধ্যভূমি) তাকে অত্যচার করে হত্যা করা হয়। ৪ জানুয়ারী তার লাশ উদ্ধার করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে সমাহিত করা হয়।

আরেক বুদ্ধিজীবি মুহাম্মদ ইয়াকুব মিয়া কাউখালী উপজেলার পার সাতুরিয়া গ্রামের মিয়া বাড়িতে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি শেরে বাংলা এ,কে,এম ফজলুল হক গর্ভণর থাকা কালে তিনি তার একান্ত সচিব ছিলেন।

১৫ ডিসেম্বর পাকিস্তানী দোষরেরা তাঁকে ঢাকার তোপখানার বাসা থেকে ধরে নিয়ে যায়। পরে তাকে মোহাম্মদপুরের সাত গম্বুজ মসজিদের নিকট কাটাসুরের ইট খোলার নিকট হত্যা করে। ১৯ই ডিসেম্বর তার লাশ পাওয়া যায় এবং তাঁকে আজিমপুরে সমাহিত করা হয়।

শেখ রিয়াজ আহম্মেদ নাহিদ/পিরোজপুর