মেলামাইন ও প্ল্যাস্টিকের পণ্যের ব্যবহার দিন দিনই বাড়ছে। কিন্তু আমরা কি বুঝতে পারছি যে আমাদের স্বাস্থ্যঝুঁকিও সেইসাথে দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে? এ কথা এখন অনেকেই জানেন, মেলামাইন ক্ষতিকর কেমিক্যাল; গরম খাবার মেলামাইনের প্লেট বা বাটিতে রাখলে এই কেমিক্যাল খাবারে মিশে যায়। সেখান থেকে মিশে যায় আমাদের শরীরে।

মেলামাইন কিডনিতে পাথর, কিডনি নষ্ট হওয়া এমনকি ক্যানসারের মতো রোগ সৃষ্টি করে। থার্মোকল প্লেট আরও সস্তা এবং ডিসপোজেবল। তাই এখন এইগুলোর বহুল ব্যবহার। থার্মোকল বা প্ল্যাস্টিকের বাটিতে খাবার গরম করলে খাবারে প্ল্যাস্টিক মিশে যায়। আর আমরা এভাবেই প্রতিদিন একটু একটু করে বিষ খেয়ে চলেছি। অন্যদিকে, তামা কাঁসা পিতল এবং মাটির পাত্রের উপকারী দিকগুলো অনেকেই জানেন না বলে এর ব্যবহার থেকে দূরে সরে যাচ্ছে মানুষ। তামা কাঁসা পিতল ও মাটির তৈরি পাত্রে রান্না করা, খাবার সংরক্ষণ করা এবং খাওয়া প্লাস্টিক বা মেলামাইন থেকে অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর।

এসব পাত্রে রান্না করলে এবং সংরক্ষণ করলে খাবারের পুষ্টিগুণ অটুট থাকে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। আগের দিনে তাই এসবই ব্যবহার করতেন আমাদের পূর্বপ্রজন্মরা। সবার জন্য তো বটেই শিশুদের জন্য তাই কাঁসা-পিতলের প্লেট, বাটি, গ্লাস তাই আরও জরুরি। এ লক্ষ্যে হ্যালো ফোক নিয়ে এসেছে কারুকার্যময় সব ঐতিহ্যবাহী কাঁসা-পিতলের সামগ্রী।

‘হ্যালো ফোক’ সম্পর্কে উদ্যোক্তা হাসিবা আলী বর্ণা জানিয়েছেন, ‘নদীর মতোই সারাদেশে ছড়িয়ে আছে নানা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের উপকরণ। অপূর্ব কারুকাজে অসাধারণ সব জিনিস। যন্ত্রের কাছে আজ কোণঠাসা হলেও মানুষের হাতে তৈরি এসব জিনিসের পরতে পরতে জড়িয়ে আছে মায়া। জড়িয়ে আছে হার না মানা ইতিহাস, ঐতিহ্য ও গৌরবের গল্প। আমাদের গল্প। এসব গল্পই নানা মাধ্যমে, পণ্যে, উপকরণে হ্যালো ফোক পৌঁছে দিতে চায় সবার কাছে। এ স্বপ্নটা বিশাল হলেও সীমিত সাধ্যের মধ্যে শত প্রতিকূলতা পেরিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি আমরা।’

হ্যালো ফোক’র সামগ্রী পেতে যোগাযোগ করতে পারেন তাদের ফেসবুক পেজে