করোনাভাইরাস বিশ্বকে নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় তরুণ নেতৃত্ব বিকাশের কোনো বিকল্প নেই। করোনার সময়ে তার প্রমাণ রেখেছে তারা। আজকের বাংলাদেশেও মাঠপর্যায়ে ভূক্তভোগীদের স্বেচ্ছাসেবা দিচ্ছে হাজার হাজার তরুণ। করোনার বিরুদ্ধে সম্মুখযোদ্ধা যারা, তাদের বড় অংশই আসলে বয়সে যুবা। তাদের নিয়ে সুন্দর আগামী রচনা করতে সক্ষম হবে বাংলাদেশ।

‘করোনাকালীন তরুণ নেতৃত্বের ভূমিকা’- শীর্ষক এক ভার্চুয়াল আয়োজনে এসব কথা বলেন অতিথিরা।

শনিবার ২৫ জুলাই এ অনুষ্ঠান হয় বাংলাদেশ এগ্রিবিজনেস সোসাইটির (বিএএস) উদ্যোগে। অনলাইনভিত্তিক এ আলোচনায় অতিথি ছিলেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (এগ্রিকালচারাল এক্সটেনশন এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগ) অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুল আলম, স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ-এর সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, স্টার সিনেপ্লেক্সের প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা লায়লা নাজনীন ও সাংবাদিক মিল্লাত হোসেন। আলোচনার শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও বাংলাদেশ এগ্রিবিজনেস সোসাইটির (বিএএস) অনুষ্ঠান-সম্পাদক সারাহ আফরিন।
সঞ্চালনায় ছিলেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও বাংলাদেশ এগ্রিবিজনেস সোসাইটির (বিএএস) ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সালমান ইবনে আলম। অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যও রাখেন তিনি।

ভার্চুয়াল আলোচনায় অতিথিরা বলেন, এই করোনার সময় তরুণদের কৃষি ও কৃষিব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত হতে হবে। কৃষি ও কৃষক বাঁচাতে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে। তারা আরো জানান, করোনাকালে অনেক কিছু স্থবির হয়ে গেছে। বেকারত্ব বেড়েছে। তাই চাকরির বাজারে তরুণদের টিকে থাকতে হলে বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। তরুণদের মধ্যে নেতৃত্বের দক্ষতা বৃদ্ধিতে পড়াশোনার পাশাপাশি তাদের বিভিন্ন সাংগঠনিক কাজে্ও যুক্ত হতে হবে। তবে তরুণ নেতৃত্বের বিকাশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর আরো বেশি ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন।গণমাধ্যমও এক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে বলে তারা মনে করেন।

  • 21
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    21
    Shares