গোপান অভিসার। প্রতীকী ছবি

সাভারের আশুলিয়ায় ৫ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত যুবক জামশেদ (২০) পলাতক রয়েছে। ঘটনায় ভিকটিমের মা নাসিমা আক্তার বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

গত ১৭ জুন সোমবার বেলা ২টার দিকে আশুলিয়ার ধনাইদ ইউসুফ মার্কেট এলাকার ওয়াহাব মন্ডলের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত জামশেদ গাইবান্ধার পলাশবাড়ি থানাধীন ভাঙ্গাডাবুনিয়া এলাকার আব্দুল হান্নানের ছেলে এবং সে আশুলিয়ার ধনাইদ ইউসুফ মার্কেট এলাকার ওহাব মন্ডলের বাড়িতে ভাড়া থেকে একটি পোশাক কারখানায় চাকুরি করে।

থানায় লিখিত অভিযোগে উল্লেখ্য, ৩ ছেলে মেয়ে নিয়ে আশুলিয়ার ধনাইদ ইউসুফ মার্কেট এলাকার ওহাম মন্ডলের বাড়িতে ভাড়া থেকে বসবাস করছেন। একই বাড়িতে ভাড়া থাকেন বখাটে জামশেদ।

সোমবার বেলা ২টার দিকে বাদী জরুরী কাজে বাসার বাহিরে যান। এসময় পার্শ্ববর্তী ওহাব মন্ডলের বাড়ির ভাড়াটিয়া রাবেয়া বেগম (৩২) ওই শিক্ষার্থীকে করলা কাটার জন্য তার বাসায় ডেকে নিয়ে জামশেদের কক্ষে দিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়। পরে জামশেদ তার মেয়ের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে ধর্ষণ করে। এতে তার মেয়ে রক্তাক্ত জখম হন।

এঘটনা মেয়ের কাছে বিস্তারিত শুনে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দিয়ে বুধবার আশুলিয়া থানায় ধর্ষক জামশেদ ও সহযোগিতাকারি রাবেয়া বেগমকে বিবাদী করে একটি লিখিত অভিযোগ দেন।

আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ রিজাউল হক দীপু বলেন, শিশু ধর্ষণের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান। তবে এখন পর্যন্ত ধর্ষক জামশেদ এবং সহযোগিতাকারীকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

শাহিনুর রহমান শাহিন/আশুলিয়া