বহু আলোচনার পর অবশেষে দেখা মিললো আইফোনের পরবর্তী সিরিজ ইলেভেনের। আইফোন-ইলেভেন, আইফোন-ইলেভেন প্রো এবং আইফোন-ইলেভেন প্রো ম্যাক্স নামে সিরিজের তিনটি ফোনের প্রদর্শনী করেছে প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপল।

নতুন সিরিজের ফোনে চমকে দেওয়ার মতো তেমন কোনো পরিবর্তন না এলেও ক্যামেরা, ব্যাটারির স্থায়িত্ব ও প্রসেসরে পরিবর্তন এনেছে অ্যাপল। এছাড়া প্রতিযোগীতার বাজারে টিকে থাকতে দামও সহনীয় পর্যায়ে এনেছে তারা। সিরিজের তিনটি ফোনের মূল্য ৬৯৯ ডলার, ৯৯৯ ডলার ও ১০৯৯ ডলার নির্ধারণ করেছে কোম্পানিটি।

বুধবার বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার কুপারটিনোর অ্যাপল পার্কের স্টিভ জবস অডিটোরিয়ামে উন্মুক্ত করা হয় আইফোন ১১। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী টিম কুক তুলে ধরেন নতুন আইফোনের বিশেষত্ব।

আইফোন-ইলেভেন পাওয়া যাবে ৬টি রঙে। ধুলো ও পানিরোধী ফোনটিতে রয়েছে ৫.৮ ইঞ্চির সুপার রেটিনা এক্সডিআর ডিসপ্লে। পেছনে থাকছে ট্রিপল ক্যামেরা (পেছনে দুটি, সামনে একটি)। রয়েছে ১২ মেগাপিক্সেলের একটি ওয়াইড লেন্স, একটি আল্ট্রা-ওয়াইড লেন্স এবং একটি ১২ টেলিফটো লেন্স।

নতুন আইফোন ঘিরে আগে যে উন্মাদনা থাকত, এবার ততটা দেখা যায়নি। নতুনত্ব হিসেবে অ্যাপল এবার আইফোনের ক্যামেরাকে বেশি প্রাধান্য দিয়েছে।

কুইকটেক নামে আইফোন-ইলেভেনে নতুন একটি ফিচার যুক্ত করা হয়েছে। এই ফিচারের মাধ্যমে ছবি তোলার মাঝখানে কোনো বিরতি ছাড়াই ভিডিও শুরু করা সম্ভব হবে। ভালো সেলফি তোলার জন্য রয়েছে ১২ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরা। ফ্রন্ট ক্যামেরা ব্যবহার করে ফোর-কে সিক্সটি এফপিএস ভিডিও ছাড়াও স্লো মোশন ভিডিও করা যাবে। অ্যাপলের দাবি, স্মার্টফোনে এযাবৎকালে সবচেয়ে দ্রুতগতির সিপিইউ ও জিপিইউয়ের এই এথার্টিন চিপ। আইফোন এক্সআরের চেয়ে এক ঘণ্টা বেশি সময় আইফোন-ইলেভেনের ব্যাটারি সচল থাকবে।

স্মার্টফোনের বাজারে তীব্র প্রতিযোগিতায় অ্যাপলের নতুন আইফোন কতটা টক্কর দিতে পারবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।