মাহমুদ উল্লাহ্‌
বিজনেস করেসপন্ডেন্ট

জয়ের পর বাংলাদেশ দল। ছবি: বাফুফে

লম্বা বিরতির পর মাঠে নেমে স্বাগতিকদের ১-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। দলের একমাত্র গোলটি করেন বদলি হিসেবে নামা রবিউল হাসান। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ফেরাটাও হলো দুর্দান্ত। কম্বোডিয়ার বিপক্ষে অপরাজিত থাকার রেকর্ডও ধরে রাখলো বাংলাদেশ।

এর আগে অক্টোবরে প্যালেস্টাইনের বিপক্ষে ম্যাচ খেলেছিল জামাল ভূঁইয়ারা। এরপর কেটে গেছে ৫ মাস। পাঁচ মাসে ঘরোয়া ফুটবল নিয়ে মেতে থাকা ফুটবলারদের বড় চ্যালেঞ্জ ছিল স্বাগতিক কম্বোডিয়ার বিপক্ষের এই ম্যাচটি।

ফিফা প্রীতি ম্যাচে শনিবার (৯ মার্চ) স্বাগতিক কম্বোডিয়ার চোখে চোখ রেখে খেলতে থাকে বাংলাদেশ। নম পেনের জাতীয় অলিম্পিক স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় ম্যাচটি শুরু হয় বিকেল সাড়ে ৫টায়। ৩৮ মিনিটের মাথায় বাংলাদেশ পর পর তিনবার আক্রমণ করে। লম্বা থ্রো থেকে বল পেলেও তপু বর্মন ঠিকঠাক হেড করতে ব্যর্থ হন। বিরতির আগে গোলের দেখা পায়নি দুই দল।

ফিফা র‌্যাকিংয়ে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে কম্বোডিয়া। দেশটির র‌্যাংকিং ১৭২, আর বাংলাদেশের ১৯২। তবে, আগের রেকর্ড বাংলাদেশের পক্ষে। কম্বোডিয়ার বিপক্ষে আগের তিন ম্যাচের দুটিতে বাংলাদেশের জয়, বাকিটিতে ড্র। মুখোমুখি চতুর্থ লড়াইয়েও না হারার প্রত্যয় ছিল লাল-সবুজের জার্সিধারীদের।

বিরতির পর ম্যাচের ৫০তম মিনিটে মনিত মিয়া গোলবারের বামদিক থেকে দারুণ ক্রস ঠেলে দেন। কিন্তু, কোনো সতীর্থ বলের নাগাল পাননি। ৬৪ মিনিটের মাথায় বাংলাদেশের কোচ জেমি ডে বিপলু আহমেদকে তুলে নিয়ে মাঠে নামান রবিউল হাসানকে। ৭৭ মিনিটের মাথায় কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে কেউ ফিনিশিং টাচ দিতে না পারলে গোলের দেখা পায়নি বাংলাদেশ। এ সময় ডাগআউটে বেশ উত্তেজিত হয়ে পড়েন বাংলাদেশের ইংলিশ কোচ জেমি ডে। ৮৩ মিনিটের মাথায় লিড নেয় বাংলাদেশ। লাল-সবুজদের এগিয়ে নিতে গোল করেন বদলি খেলোয়াড় রবিউল। ডানদিক থেকে সুফিলের দুর্দান্ত ক্রসে বলে আলতো টোকায় কম্বোডিয়ার জালে জড়িয়ে দেন রবিউল (১-০)।

ম্যাচের বাকি সময়ে স্বাগতিক কম্বোডিয়া গোল শোধ করতে পারেনি। ফলে এই স্কোরেই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। মুখোমুখি চতুর্থ দেখায় তৃতীয় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

আজকের পত্রিকা/এমইউ/এমএইচএস