ম্যাচ শেষে বিজয়ী কথাসাহিত্যিকদের দল 'খোয়াবনামা'। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপ ক্রিকেটে যখন কাঁপছে দেশ, ঠিক সেই সময় কবি-কথাসাহিত্যিকদের প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচে কেঁপে উঠেছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল মাঠ। ২১ জুন শুক্রবার ছুটির দিনে অনুষ্ঠিত হয় রোমাঞ্চকর এই প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচটি।

বেলার দুইটার কাছাকাছি সময় থেকে জগন্নাথ হলের মাঠে কবি, লেখক ও শিল্পসংস্কৃতিমনা মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয়ে ওঠে। এরইমধ্যে দেখা দেয় মেঘের উঁকিঝুঁকি। তবুও অনড় থাকেন কবিদের গীতাঞ্জলি এবং কথাসাহিত্যিকদের খোয়াবনামা স্কোয়াডের খেলোয়াড়রা।

বেলা আড়াইটায় খেলা শুরুর কথা থাকলেও হঠাৎ এক পশলা বৃষ্টিতে বিকাল ৩টায় গিয়ে গড়ায় অপেক্ষা। এরই মাঝে সেখানে উপস্থিত হন এই প্রীতি ক্রিকেটে ম্যাচের উদ্বোধক কবি কামাল চৌধুরী। দেরী না করে, টসের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেই তিনি খেলার উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘কবি-সাহিত্যিকদের মিলনমেলা সত্যিই আনন্দদায়ক। এই ধরনের আরও প্রীতিসূচক সম্মিলন হওয়া দরকার। এতে পারস্পরিক ভালোবাসা গড়ে উঠবে। অনেকের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎও হবে।’

কবিদের গীতাঞ্জলী দলের মুখোমুখি হয়েছিল কথাসাহিত্যকদের খোয়াবনামা দল। গীতাঞ্জলী দলের অধিনায়ক হিসেবে ছিলেন কবি মোহাম্মদ সাদিক ও সহ-অধিনায়ক কবি শামীম রেজা। আর খোয়াবনামা দলের অধিনায়কত্ব করেছেন কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন এবং সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন আশরাফ জুয়েল।

দল দুটি নিজেদের জার্সি পরে খেলায় অংশ নেয়। তাদের খেলা উপভোগ করতে হাজির হয়েছিলেন নানা শ্রেণীর মানুষ। খেলার উত্তেজনা বাড়াতে ধারাভাষ্যকারের দায়িত্ব পালন করবেন হাসান মাহমুদ এবং স্বকৃত নোমান। তাঁদের দুজনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন কবি মাসুদুজ্জামান।

ম্যাচ শেষে ঐতিহ্য প্রকাশনীর পক্ষ থেকে ম্যান অব দ্য ম্যাচ, সেরা ব্যাটসম্যান, সেরা বোলার এবং সেরা ফিল্ডারকে যথাক্রমে একসেট করে বিভূতিভূষণ রচনাবলি (১০ খণ্ড), জীবনানন্দ রচনাবলি (৬ খণ্ড) ও শরৎ রচনাবলি (৫ খণ্ড) পুরস্কার দেওয়া হয়।

আজকের পত্রিকা/সিফাত