ছবি: আজকের পত্রিকা

নারীবাদ সর্বোপরি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ও উদার এক নীতি। এই ধারার দর্শন চর্চা নাহলে লিঙ্গ বৈষম্যের ইতিহাস আরও দীর্ঘ হতে পারতো। লিঙ্গ বৈষম্য হারিয়ে যায়নি, এজন্য এই দর্শনের প্রাসঙ্গিকতাও বর্তমান। তবে তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে যে কোনো বিষয় সম্পর্কে জানা যেমনটা সহজ, তেমনি বিভ্রান্ত হওয়াটাও খুব সম্ভব। তাই বর্তমানে এক শ্রেণির “নারীবাদ” মনোভাব তৈরি হচ্ছে যা বৈষম্য দূর করার লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হয়ে এগোচ্ছে “বিভাজন” নীতির দিকে। নারীবাদ বা এর ইতিহাস সম্পর্কে একদম সাধারণ কোন ধারণা না নিয়ে এক আগ্রাসী ও পুরুষ বিদ্বেষী শ্রেণি, নারীবাদের মূল উদ্দেশ্যকে বিপথে নিয়ে যাচ্ছে। এজন্য প্রথমেই মোটা দাগে নারীবাদের বিভিন্ন স্তর সম্পর্কে জেনে নেওয়া যেতে পারে।

নারীবাদের বিভিন্ন স্তর নিয়ে খুব সহজ কথায় ব্যাখ্যা করেছেন আরাফাত নোমান। তাঁর লেখাটি এখানে তুলে ধরছি :

১৮৯৩ সালের আগ পর্যন্ত নারীদের কোন প্রকার ভোটাধিকার ছিলো না। তারমানে জাতীয়ভাবে নারীদেরকে মতপ্রকাশ থেকে বিরত রাখা হয়। ১৮৯৩ সালে নিউজিল্যান্ড প্রথম নারীদের ভোটাধিকারে সম্মত হয়ে বিল পাস করে। পরবর্তীতে ১৯০৪ সালে ব্রিটিশ নারী অধিকার কর্মী মিলিস্যান্ট ফসেট ‘International Women Suffrage Alliance’ সৃষ্টি করে যারা মূলত কাজ করতো নারীর ভোটাধিকার আদায়ের সংগ্রামে। ফেমিনিজম বা নারীবাদকে ব্যাখ্যা করতে সোশ্যাল থিয়োরিস্টরা মূলত ৩টা ওয়েভ বা কালকে আলোচনায় আনেন: First Wave Feminism, Second Wave Feminism এবং Third Wave Feminism।

ছবি: সংগৃহীত

ফেমিনিজমের প্রথম ওয়েভ (১৮৩০-১৯০০)

শুরুতেই নারীদের ভোটাধিকার প্রাপ্তির আলোচনাটাই মূলত নারীবাদের প্রথম কালকে নির্দেশ করে। পরবর্তীতে তাদের এজেন্ডায় আরও যুক্ত হয় রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সামাজিকভাবে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আদায়। এখানে উল্লেখ্য যে লৈঙ্গিক বৈষম্যের প্রতি ফার্স্ট ওয়েভ ফেমিনিস্টরাই প্রথম আলোচনা শুরু করে। মূলত Mary Wollstonecraft কে তাঁর বই ‘A Vindication of the Rights of Woman’ (১৭৯২) এর কারণে ফার্স্ট ওয়েভ ফেমিনিজমের পথিকৃৎ ধরা হয়।

সেকেন্ড ওয়েভ (১৯৬০-১৯৮০)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী ফেমিনিজম ছিলো মূলত প্রথম কালেরই বিস্তৃত রূপ। তবে এক্ষেত্রে লৈঙ্গিক সমতাকে প্রাধান্য দিয়ে ফেমিনিস্টরা তাদের কার্যক্রম চালানো শুরু করে। কর্মক্ষেত্রে সমতা, সম-পরিমাণ মজুরি এবং প্রজননের অধিকার নিয়ে সোচ্চার হয় নারীরা। এই ওয়েভেই তারা প্রথম বুঝতে পারে তাদের যৌন জীবনের অধিকার তাদেরই হাতে। কোনরূপ দমন পীড়নের মাধ্যমে নারীদের যৌন জীবনের কর্তৃত্ব পুরুষরা নিতে পারবে না এবং সন্তান জন্মদানের ক্ষেত্রেও তাদের মতামত নেওয়া আবশ্যক- এই দুটিই ছিলো দ্বিতীয় ওয়েভের মূল বক্তব্য। তবে এ সময় শুধুমাত্র সাদা চামড়ার নারীদের প্রাধিকারভুক্ত করার প্রতিবাদে ব্ল্যাক ফেমিনিজমের উদ্ভব হয়। বিখ্যাত আফ্রিকান আমেরিকান লেখক টনি মরিসনের “দ্যা ব্লুয়েস্ট আই” (১৯৭০) বইতে দেখানো হয়েছে একজন নারী কীভাবে ত্রিমুখী নিপীড়নের শিকার হয়: নারী হিসেবে, কালো চামড়ার অধিকারী হিসেবে এবং দরিদ্র হিসেবে। ব্ল্যাক সিভিল রাইতস মুভমেন্টের সৃষ্টি ওখান থেকেই।

থার্ড ওয়েভ ফেমিনিজম (১৯৮০-বর্তমান)

এ পর্যন্ত সব ঠিকই ছিলো। মূলত থার্ড ওয়েভ থেকে ঝামেলার শুরু। থার্ড ওয়েভে নির্দিষ্ট কোন ফোকাস নেই। এ সময় বিভিন্ন মতের সৃষ্টি হতে শুরু করে। কালচারাল ফেমিনিস্ট থেকে শুরু করে র‌্যাডিক্যাল ফেমিনিস্ট, ইকো-ফেমিনিস্ট, সাইবার ফেমিনিস্ট থেকে শুরু করে পোস্ট মডার্ন ফেমিনিস্ট সব একসাথে জ্বলে উঠে এবং স্বভাবতই বেশ দ্বিধা-বিভক্তির জন্ম দেয়। কালচারাল ফেমিনিস্টরা যেখানে সমতার ভিত্তিতে কাজ করতে চান এবং নিজেদের অধিকার আদায়ের জন্য অহিংস আন্দোলনকে বেছে নেন সেখানে র‌্যাডিক্যাল ফেমিনিস্টরা চান নারীর সবকিছুই হবে পুরুষ-বর্জিত। র‌্যাডিক্যাল ফেমিনিস্টরা বেশ আক্রমণাত্মকভাবেই নিজেদের দাবি দাওয়ার ব্যাপারে সোচ্চার হতে শুরু করেন এবং তাদের কাছে পুরুষ বলতেই একজন সহিংস প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়া আর কিছু নয়। তাদের মতে নারীরা পুরুষের কাছে মাংসপি- ছাড়া আর কিছুই নয় এবং পুরুষরা সবসময়েই নারীদের চায় দৈহিক চাহিদা মেটানোর উপকরণ হিসেবে। পুরুষের প্রতি ঘৃণার বীজ ছড়িয়ে সব পুরুষকে একই পাল্লায় মেপে তারা মূলত মানবতার বিভেদকেই ত্বরান্বিত করছে।”

আরাফাত নোমানের এই সাবলীল লেখার শেষের অংশ নিয়েই মূলত আজ কিছু ব্যক্তিগত ও সামাজিক বাস্তবতাকে পর্যবেক্ষণ করব। আজকাল ফেসবুকের কল্যাণে এই তৃতীয় শ্রেণির নারীবাদ অত্যন্ত জনপ্রিয় ও চর্চিত। এদের মাঝে নারীবাদ সম্পর্কে কিছু না জেনেই “সব পুরুষই ধর্ষক” এই নীতিতে চলা, পরিবার প্রথাকে অগ্রাহ্য করা, সম্পর্কে অনৈতিক আচরণ করা ইত্যাদি প্রাধান্য পাচ্ছে। আরও উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হচ্ছে পরিবারের অর্থনৈতিক দায়ভার পালনের ক্ষেত্রে (অন্য সব দিক দিয়ে সমতার দাবি জানানোর কথা বলা হলেও) অনীহা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ব্যক্তিগত জীবন থেকে দুটি ঘটনা উল্লেখ করছি।

ছবি: সংগৃহীত

ঘটনা ১

আমার কাছে স্নাতক পর্যায়ের গবেষণার একটি কাজে এক ছাত্রী কিছু গল্প বেছে নিয়ে আসে। যার মাঝে একটি গল্প নিয়ে তাকে অনেক উৎসাহিত দেখা যায়। সেই গল্পের কেন্দ্রীয় নারী চরিত্রকে পাওয়ারফুল ফেমিনিস্ট চরিত্র হিসেবে ব্যাখ্যা করতে চায় সে। গল্পের সারসংক্ষেপ এমন যে এক মধ্যবিত্ত পরিবারে এক নারী স্বামীর হাতে নির্যাতনের শিকার হতো। সে এর থেকে মুক্তির উপায় খোঁজে নিয়মিত সেই স্বামীকে বিষ প্রয়োগের মাধ্যমে। আর শেষ পর্যন্ত স্বামীর মৃত্যুর মাধ্যমে পায় “স্বাধীনতা”। গল্পটি আমাকে প্রথম আলোতে পড়া “অন্য প্রেমিক থাকায় স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা” এ রকম একটি শিরোনামকে মনে করিয়ে দিচ্ছে। এই গল্পকে ফেমিনিজমের আওতায় ব্যাখ্যা করা যাবে না তা নয়, কিন্তু অবাক হলাম এটি ভেবে যে মেয়েটি এই চরিত্রকে “গ্লোরিফাই” করছে। হ্যাঁ, গল্পের মূল মেটাফোর বলছে স্বামীর হাতে নির্যাতন প্রতিদিন বিষপানের মতো বেদনাদায়ক আর সেই নারীর এ রকম স্বামীর হাত থেকে মুক্তির উপায় খোঁজাও অত্যন্ত যুক্তিসঙ্গত। কিন্তু গল্পে সমাধান দেখানো হয়েছে স্বামীকে হত্যা করা। যার অর্থ আর কোন উপায় মেয়েটি ভাবতে পারেনি। তাহলে, গল্পটি “আই ফর আই, টুথ ফোর টুথ” নীতির দর্শনকেই তো সমর্থন করছে। এই চরিত্রের প্রতি সমব্যাথি হয়েও কিন্তু এটি মেনে নেওয়া যেত যে তার শেষ কর্মটি ছিলো “wild revenge” প্রতিশোধমূলক; “justice” বা সুবিচার নয়। কিন্তু এ ধরনের উপসংহার আমার ছাত্রীর মাঝে খুব উঁচুমানের এক নারীবাদী চরিত্রের উদাহরণ হিসেবে স্থান করে দিয়েছে চরিত্রটিকে। আরাফাত নোমান আসলে র‌্যাডিক্যাল ফেমিনিজমের সমালোচনা করতে গিয়ে যা বলেছেন, এই গল্পটি ও সেটি পড়ে আমার ছাত্রীর ভাবনা, আসলে তাকে প্রমাণ করছে। সাহিত্যে “revenge traged” বলে যেই চল ছিল প্রাচীন গ্রিক বা পরবর্তীতে এলিজাবেথান নাটকগুলোতে, সেই মনোভাব থেকে কিন্তু সমাজ বের হয়ে এসেছে। প্রতিশোধ পরায়ণ মনোভাব বর্তমান বা অতীত, নারী বা পুরুষ কারও মাঝেই কাম্য নয়। কিন্তু এতো কাছ থেকে দেখা, সাহিত্য পড়া একটি মেয়ের মাঝে এই ভাবনা শঙ্কিত করে তুলেছিল।

ছবি: সংগৃহীত

ঘটনা ২

এক সময় যেমন মেয়েদের আক্ষরিক অর্থেই নাগরিক অধিকার আদায়ে লড়তে হতো বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠানো হতো না, তেমনি বর্তমান সময়ে শিক্ষাক্ষেত্রে ঢালাওভাবে মেয়েরা পিছিয়ে আছে বা কর্মক্ষেত্রে বিচরণ নেই তা বলা যাবে না। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একেবারেই সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোকে বাদ দিলে দেখা যাবে বেশিরভাগ পরিবারে ছেলে ও মেয়ে উভয়েই অন্তত শিক্ষা ক্ষেত্রে স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে জায়গা করে নিয়েছে ও মেধার স্বাক্ষর রাখছে। এ রকমই এক পরিবারের মেয়ে আমার এক ছাত্রী। ধরুন তার নাম স্বপ্না। তার বাবা একটা হোটেল চালায়। হোটেল বলতে খুব ছোট একটা ঘরে পুরি, সিঙ্গারা ভাজে, মাঝে মাঝে খিচুড়ি রাঁধে। বিক্রি একেবারে খারাপ নয়। তবে একটা পরিবার চালানোর জন্য যথেষ্টও নয়। এক ছেলে, নেশা করে। আর এক মেয়ে। মেয়ে বেশ মেধাবী। ওকে মেডিকেল কোচিং করিয়েছিল, ভালো মাস্টার দিয়ে বাসায় পড়িয়েছিল। টাকা খরচ করতে কার্পণ্য করেনি। মেয়ে ঢাকায় ভালো স্কুল ও কলেজে পড়েছে। শেষ পর্যন্ত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজ কর্ম বিভাগে পড়ছে। আর সেখানে মেধার স্বাক্ষর রেখে প্রথম দিকে অবস্থান করছে। ছেলেটিও আগের তুলনায় ভালো অবস্থানে আছে। সে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন একটি বিষয় নিয়ে পড়াশুনা শুরু করেছে। ওনার বাবা শফিক ভাই যখন অনেক টাকা খরচ করে মেডিকেল কোচিংয়ে দিয়েছিল তখন আমার কাছে বাসায় পড়ানোর জন্য একজন মাস্টারের খোঁজ করে। আমি তাকে বলি যে সায়েন্সের বিষয় পড়াবে এমন কেউ তো বাসায় এলে অনেক টাকা নেবে, দিতে পারবেন? উত্তরে তাঁর মুখ থেকে একটা কথা শুনেছিলাম যা এখনও কানে বাজে, “স্যার এই দোকানডা তো আছে! মেয়ে ডাক্তার হলি বুড়া বাপরে সোহাগ করবি না কন? না করলি পান বিড়ি নিয়া বইসা পড়–ম। পোলাডা ল্যাহাপড়ায় বালো না, নিশা করে। মাইয়াডা পড়তে চায়। ওর তো অসুবিধা করিনি, এইটুকুও করি, কী কন?”

আমি জানি শফিক ভাইয়ের এই গুণী মেয়ে তাঁর বাবাকে দেখবে, তাঁর ভাইয়ের কাছে “সমাজ” পরিবার চালানোর যে দায়িত্ব দিয়েছে তার বেশির ভাগটাই সেই কাঁধে নেবে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে শফিক ভাই ভরসা করতে পারছিলেন না যে তাঁর মেয়ে তাকে দেখবে। আমাদের সমাজে মেয়েরা তাদের মা-বাবার পরিবারে আর্থিকভাবে সহায়তা করবে তেমন বাধ্যবাধকতা নেই। কোন মেয়ে যদি করে থাকে সেটাকে সাধারণত “উদারতা” হিসেবে ধরা হয়। এই শফিক ভাইয়ের মতো অনেক বাবা কিন্তু আছেন। যেই ঘাম ঝরিয়ে তিনি ছেলেকে বড় করেছেন মেয়েকেও কিন্তু সেই একই ঘাম ঝরিয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াচ্ছেন। তাহলে এই মেয়ের ভবিষ্যৎ আয়ে এই বাবার অধিকার নেই? কেন ছেলের পয়সা খাওয়াটা স্বাভাবিক কিন্তু মেয়ের পয়সা খাওয়াটা ভাগ্যের ব্যাপার হবে? এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজাও কিন্তু নারীবাদের জন্য বেশ দরকার।

নারীবাদ যেই উদ্দেশ্য নিয়ে শুরু হয়েছিল সেটি আসলে মানবতাবাদের আরেক কার্যক্রম। কিন্তু বিদ্বেষমুখী, বিভাজন নীতির যেই চর্চা আজ চলছে সেটি কিন্তু পুরুষতান্ত্রিকতার চেয়ে কম ক্ষতিকর নয়। অবশ্যই সার্বিকভাবে নারীরা আজও বৈষম্যের শিকার, তাদের অধিকার আদায়ে অবশ্য প্রয়োজনীয় একটি তত্ত্ব হচ্ছে নারীবাদ। তাই নারীবাদীদেরই উচিত এর মূল উদ্দেশ্য যাতে অটুট থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখা। ৫০ এর দশকের শুধুমাত্র হেঁসেল টানা নারীরা কিন্তু আজ বড় কোম্পানিতে ম্যানেজার বা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হতে পেরেছে, ৮০ বা ৯০ দশকের সাবানার “ভদ্র গৃহবধূ”র চরিত্র থেকেও কিন্তু মেয়েরা আজ সংগ্রাম করে পথে নেমেছে, পুরুষের সাথে কাঁধ মিলিয়ে কর্মক্ষেত্রে যোগ্যতার পরিচয় দিচ্ছে। নারীবাদ চর্চিত হয়েছে দেখে এগুলো সম্ভব হয়েছে। কিন্তু বিপথগামী র‌্যাডিক্যাল চিন্তাধারা কিন্তু নারীকে পুরুষতান্ত্রিক সমাজের পুরুষদের ন্যায় “শোষক”ই বানিয়ে তুলবে। তখন অত্যাচারীর ছড়ি শুধু লিঙ্গ পরিবর্তন হবে কিন্তু শোষণ অব্যাহত থাকবে। তাই নারীবাদ চর্চা অনেক বেশি মানবতাবাদীভাবে অগ্রসর হোক।

লেখক: আশিক ইসতিয়াক