বিমানপ্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী।

দেশের উন্নয়নে অনেক বেশি অবদান রয়েছে প্রবাসীদের। কথা দিচ্ছি, এয়ারপোর্টে আর হেনস্থা হবেন না প্রবাসীরা, যদি হেনস্থা হন সঙ্গে সঙ্গেই আমার সাথে যোগাযোগ করবেন, তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেব বলে মন্তব্য করেছেন বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মাহবুব আলী এমপি।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে অ্যাডভোকেট মাহবুব আলী এমপির সঙ্গে হবিগঞ্জবাসীর শুভেচ্ছা বিনিময়কালে বক্তারা বলেন, ‘প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়ে দেশের চাকা সচল রাখেন কিন্তু বাংলাদেশের সবকটি বিমানবন্দরে সবচেয়ে বেশি হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে আমাদের মতো অসহায় প্রবাসীদের। অথচ আমাদের পাঠানো রেমিট্যান্সে বাংলাদেশ এগিয়ে চলেছে।’

আমিরাত থেকে অন্যান্য দেশের বিমানের দৈনিক তিনটা করে ঢাকায় ফ্লাইট থাকে অথচ বাংলাদেশ বিমানের একটি মাত্র ফ্লাইট। বিমান ঘাটতির কারণে প্রবাসীদের বাংলাদেশ বিমানে টিকিট পেতে হিমশিম খেতে হয়। দ্রুত সিলেটে বাংলাদেশ বিমান ছাড়াও আমিরাত থেকে অন্য ফ্লাইট পরিচালনা করার দাবি জানিয়েছে দেশটির হবিগঞ্জবাসীরা।

বুধবার (১৩ মার্চ) শারজাহের একটি পাঁচ তারকা হোটেলে হবিগঞ্জ ইউনিটি সংযুক্ত আরব আমিরাত কেন্দ্রীয় কমিটি এ সভার আয়োজন করে। সভাপতিত্ব করেন হবিগঞ্জ ইউনিটি সংযুক্ত আরব আমিরাত কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি প্রকৌশলী তৈয়ব আলী তালুকদার।

সাধারণ সম্পাদক শেখ এমরান উল্লাহ ও সিনিয়র সহ-সভাপতি সালেহ আহমদের যৌথ পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মাহবুব আলী এমপি। অতিথি ছিলেন শামীমা জাফরিন মাহবুব।

বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা সিআইপি রাখাল কুমার গোপ, এনআরবি ব্যাংকের চেয়ারম্যান সিআইপি মাহতাবুর রহমান নাসির, সিআইপি আশিক মিয়া, হারুন আল রশিদ, প্রকৌশলী আব্দুল কাইয়ূম, চুনারুঘাট উপজেলার সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান রিপন, সিলেট বিভাগ উন্নয়ন পরিষদ আমিরাতের প্রধান উপদেষ্টা বদরুল ইসলাম চৌধুরী, হবিগঞ্জ ইউনিটির উপদেষ্টা বাবরুল হাসান তালুকদার, মোশাররফ হোসেন প্রমুখ।

এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন জি এম জায়গীরদার, দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী, শাহ মোহাম্মদ মাকসুদ, নাসির উদ্দিন কাইসার, রাসেল মিয়া, হাজী সায়েদ আলী, জিতু মিয়া, কামরুল হাসান তালুকদার, গৌতম ঘোষ, তাজুল ইসলাম রুম্মান, হারুনুর রশিদ রঙ্গু।