এম. এ. আর. শায়েল
সিনিয়র সাব এডিটর

একটি পেঁয়াজের দাম কত হতে পারে? দশ টাকা। বিশ টাকা। না, আপনার ধারণা ঠিক নয়। যারা নিয়মিত বাজার-সদাই করেন, তারা কিছুটা হলেও আঁচ করতে পারেন। বাজারে বড় আকারের একটি পেঁয়াজের দাম এখন ৪০ থেকে ৭০ টাকা।

লক্ষ্মীপুরের রায়পরের খুচরা বাজারে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে প্রতিকেজি দেশি ও ভারতীয় পেঁয়াজ ২১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে বড় আকারের পেঁয়াজ ৪৫ টাকায় কিনছেন নিম্ন আয়ের মানুষরা।

দুপুরে পৌর শহরের বিভিন্ন পাইকারি বাজার ঘুরে জানা যায়, বুধবার পাইকারি আড়তগুলোতে দেশি পেঁয়াজ ১১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। তবে বৃহস্পতিবার সকালে দাম বেড়ে ১৯০ টাকা হয়েছে। বেলা বাড়ার পর খুচরা ব্যবসায়ীরা পাইকারি আড়তগুলো থেকে মণ প্রতি ৪০০ টাকা বেশি ধরে কেনেন। এরপর প্রতি কেজি পেঁয়াজ ২০০ থেকে ২১০ টাকায় খুচরা বিক্রি হচ্ছে।

খুচরা বাজারগুলোতে দেখা গেছে, গ্রামের বাজারগুলোতে নিম্মআয়ের মানুষরা একটি পেঁয়াজ কিনছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায়। সেখানে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২১০-২২০ টাকায়। একটি মুদি দোকানে ২০০ টাকা কেজি হারে ভারতীয় একটি পেঁয়াজ ওজন করে তার মূল্য ৪৫ টাকা দেখা যায়। এক রাতে দাম বাড়ায় কেউ কেউ ২৫০ গ্রাম থেকে সর্বোচ্চ এক কেজি পেঁয়াজ কিনছেন। আবার কেউ কেউ মাত্র একটি পেঁয়াজ কিনছেন।

শ্রমিক সোহেল আলম বলেন, পৌর শহরের হল রোড থেকে বৃহস্পতিবার সকালে ২০০ টাকা দিয়ে চারটি পেঁয়াজ কিনেছি। যার ওজন এক কেজি থেকে একটু কম। এ সময় আরো এক শ্রমিক একটি পেঁয়াজ কিনেছেন ৫৪ টাকায়।

রায়পুরের ইউএনও সাবরীন চৌধুরী বলেন, পেঁয়াজের দাম নিম্মআয়ের মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজারে তদারকি করা হচ্ছে। তবে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম বেশি থাকায় তারা বিপাকে পড়েছেন।

কেউ কেউ অতিরিক্ত দামে পেঁয়াজ বিক্রি করছে বলে তিনি শুনেছেন। দাম কমাতে দ্রুত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করবেন বলে জানান তিনি।