জেলা ও দায়রা জজ মোঃ শহিদুল্লাহ

ভোলার বিচারঙ্গনে এসে বিচারপ্রার্থী মানুষ যাতে অযথা হয়রানীর শিকার না হয় সে বিষয়ে সচেষ্ট থাকবেন বলে জানিয়েছেন জেলা ও দায়রা জজ মোঃ শহিদুল্লাহ। আমাদের ভোলা প্রতিনিধি আব্দুল মালেকের সাথে আলাপচারিতায় তিনি এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, এককভাবে কোনো বিচারকের পক্ষে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়, এ জন্য বিচার কাজে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগীতা প্রয়োজন।

দায়রা জজ আরও বলেন, আমি চেষ্টা করবো বিচার প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত সকলের সহযোগীতা ও আন্তরিকতা পেতে।

বিভাগীয় শহর বরিশালের করাপুর এলাকায় জন্ম নেয়া এই কৃতি সন্তান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে সম্মানসহ মাস্টার্স পাশ করেন।

১৯৯৯ সালে যোগ দেন বিচার বিভাগে।

অত্যন্ত সততা, দক্ষতা ও ন্যায় নিষ্ঠার সাথে বিচারকী দায়িত্ব পালন করেন বিভিন্ন জেলায়।

সর্বশেষ ভোলায় আসার পূর্বে স্পেশাল জজ (জেলা ও দায়রা জজ পদ মর্যাদায়) হিসেবে পটুয়াখালী বিচার বিভাগে দায়িত্ব পালন করেন। তিন পুত্র সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে তার সুখি পরিবার।

ভোলায় যোগদানের পরপরই তিনি হাস্যেজ্জল মুখ ও আন্তরিক ব্যবহার দিয়ে জয় করে নেন বিচারঙ্গনের সাথে যুক্ত আইনজীবী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মন।

সাক্ষাতকারে তিনি ব্যক্ত করেন বিচারঙ্গন নিয়ে তার প্রত্যাশার কথা।

রেকর্ড রুম, নেজারত সহ যেসব শাখায় মানুষ হয়রানীর শিকার হয় সেগুলো নিরসনে কাজ করা, মামলার জট কমানোর ক্ষেত্রে বিচার কাজে গতিশীলতা বৃদ্ধি, সর্বোপরি ভোলার বিচারঙ্গনে স্বচ্ছতা ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

তিনি বলেন, বিচারকের বেশ কয়েকটি পদ সহ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেশি কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য থাকায় কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে।

জজ বলেন, যেহেতু আমার জন্ম বরিশালে, এই অঞ্চেলের মাটির গন্ধ আমার গায়ে লেগে আছে। তাই এখানের মানুষের সুখ-দুঃখ, হাসি কান্না সহজেই আমার হৃদয়ে নাড়া দেয়। এই দ্বীপ জেলার অসহায় বিচার বঞ্চিত মানুষের ন্যায় বিচার প্রাপ্তিতে যদি ভূমিকা রাখতে পারি তবেই ভোলায় আমার কর্মজীবন স্বার্থক হবে।

এই জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগীতা কামনা করেন তিনি।

আবদুল মালেক/ভোলা