আত্মহত্যা। প্রতীকী ছবি

একই ওড়নার দুইপ্রান্তে ঝুলন্ত অবস্থায় এক গৃহবধূ ও এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে মাগুরা পুলিশ। নিহতরা হলেন-সাগর বিশ্বাস (২২) ও পিংকি (১৯)। তারা সম্পর্কে বিয়াই-বিয়াইন।

সাগর বিশ্বাস ঝিনাইদহ সদর উপজেলার শ্যামল বিশ্বাসের ছেলে ও পিংকি বাটাজোড় গ্রামের নরসুন্দর রাম প্রসাদের স্ত্রী। তার বাবার বাড়ি নড়াইল জেলায়।পিংকির একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।

বুধবার সন্ধ্যায় মাগুরা সদর উপজেলার বাটাজোড় গ্রামে গৃহবধূ পিংকির শ্বশুরবাড়ি থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে এটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করছে পুলিশ।

শত্রুজিৎপুর পুলিশ ফাঁড়ির দ্বায়িত্বরত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিশারুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, সন্ধ্যা ৬টার দিকে বাটাজোড় গ্রামের রাম প্রসাদের বাড়িতে একটি ঘরে একই আঁড়ার সঙ্গে ওড়নার দুই প্রান্তে ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত অবস্থায় রাম প্রসাদের স্ত্রী পিংকি ও তার বিয়াই সাগরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তারা দু’জন ঝিনাইদহ ও নড়াইল থেকে আজই ওই বাড়িতে এসেছিলেন। ঘটনার সময় নিহত পিংকির স্বামী নরসুন্দর রাম প্রসাদ বাড়িতে ছিলেন না।

সন্ধ্যায় ফিরে ঘরের দরজা বন্ধ দেখে ডাকাডাকির পর সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে তাদের ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

স্ত্রীর মৃত্যুর বিষয়ে কিছু বলতে পারেছেন না রাম প্রসাদ। তবে পরিবার ও স্থানীয়দের দেওয়া সূত্র মতে পিংকি ও সাগরের মধ্যে পরকীয়া চলছিল। এ কারণেই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।