কাজী ফয়সাল
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

ক্রিসেন্ট গ্রুপ ও জনতা ব্যাংকের লোগো। ছবি: সংগৃহিত।

ঋণ জালিয়াতির অভিযোগে ক্রিসেন্ট গ্রুপের একাধিক প্রতিষ্ঠানের ৭ চেয়ারম্যান ও পরিচালক এবং জনতা ব্যাংকের ১৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ১০ ফেব্রুয়ারি রবিবার রাজধানীর চকবাজার থানায় পৃথকভাবে ৫টি মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসব মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ১৭৪৫ কোটি ৬৬ লাখ ৭৯ হাজার টাকার ঋণ জালিয়াতির অভিযোগ আনা হয়েছে।

আসামিরা হলেন ক্রিসেন্ট লেদার প্রোডাক্টের চেয়ারম্যান এম এ কাদের, দুই পরিচালক সুলতানা বেগম ও রেজিয়া বেগম, রিমেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ, পরিচালক লিটুন জাহান মীরা, মেসার্স লেক্সকো লিমিটেডের পরিচালক হারুন-অর-রশীদ এবং রুপালী কম্পোজিট লেদারওয়ার লিমিটেডের সামিয়া কাদের নদী।

অন্যদিকে জনতা ব্যাংকের আসামিরা হলেন আব্দুল্লাহ আল মামুন, মো. মনিরুজ্জামান, মো. সাইদুজ্জামান, মোহাম্মদ রুহুল আমীন, মো. মাগরেব আলী, মো. খায়রুল আমিন, মো. আতাউর রহমান সরকার, মো. রেজাউল করিম, মুহাম্মদ ইকবাল, এ কে এম আসাদুজ্জামান, কাজী রইস উদ্দিন আহমেদ, মো. জাকির হোসেন ও ফখরুল আলম।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ক্রিসেন্ট গ্রুপ ক্ষমতার অপব্যবহার এবং জনতা ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের শর্ত ভঙ্গ করে জাল-জালিয়াতি ও ভুয়া রফতানি বিলের বিপরীতে জনতা ব্যাংকের ইমামগঞ্জ শাখা থেকে এক হাজার ৭৪৫ কোটি ৬৬ লাখ ৭৯ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছে।

ক্রিসেন্ট গ্রুপের ঋণ জালিয়াতির ঘটনা অনুসন্ধান করেন দুদকের সহকারী পরিচালক (এডি) গুলশান আনোয়ার প্রধান ও নিয়ামুল আহসান গাজী। তদন্ত কর্মকর্তা হলেন দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন। আর এই ৫টি মামলারই বাদী দুদকের সহকারী পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান।

আজকের পত্রিকা/কেএফ/এমএইচএস