শনিবার দুপুরে সদ্য দখলমুক্ত দেওনাই নদী পরিদর্শণকালে নৌ-পরিবহন মন্ত্রনালয়ের যুগ্ম সচিব আব্দুর সাত্তার

দেওনাই নদীর মতোই উৎসবের মাধ্যমে দেশের সকল নদী দখলমুক্ত করা হবে। ইতিমধ্যে দেশের ৬১ জেলার ৪৬ হাজার ৭৪২ জন নদী দখলকারীর তালিকা প্রকাশ করেছে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন। যত ক্ষমতাবান ব্যক্তি হোক না কেন, দখলদারদের কড়াল গ্রাস হতে দেশের সকল নদী দখলমুক্ত করা হবে।

শনিবার দুপুরে সদ্য দখলমুক্ত দেওনাই নদী পরিদর্শণকালে নৌ-পরিবহন মন্ত্রনালয়ের যুগ্ম সচিব আব্দুর সাত্তার ওই কথাগুলো বলেন।

তিনি আরো বলেন, দেওনাই নদী পাড়ের মানুষ যেভাবে উৎসবের মাধ্যমে নদী দখলমুক্ত করেছে। এভাবে যদি দেশের সকল মানুষ এগিয়ে আসে তাহলে দেশের সকল নদী অচিরেই দখলমুক্ত হবে। যুগ্ম-সচিব বলেন, আপনারা যেভাবে ঐক্যবদ্ধভাবে নদী দখলমুক্ত উৎসব করেছেন। সেই অভিজ্ঞতা আমাদেরও কাজে আসবে।

এসময় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে ফাতিমা, রিভারাইন পিপল রংপুর বিভাগীয় পরিচালক ড. তুহিন ওয়াদুদ, ডোমার থানা অফিসার ইনচার্জ মোস্তাফিজার রহমান, হরিণচড়া ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুল ইসলাম, দেওনাই নদী সুরক্ষা কমিটির আহবায়ক আব্দুল ওয়াদুদ, সদস্য সচিব আরিফুর রহমান মিলন উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, হরিণচড়া ইউনিয়নের শেওটগাড়ী সবুজপাড়া গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া দেওনাই নদীতে কিছু দখলকারী ২০১৭ সালের মে মাসের একটি সমিতির মাধ্যমে নদীতে মাছের পোনা অবমুক্ত করে নদী দখলের পায়তারা করে। দখল মুক্ত করতে এলাকাবাসীর সাথে অনেক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। গত ২৩ ফেব্রুয়ারী জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান হাওলাদারকে প্রধান অতিথি করে উৎসবের মাধ্যমে দেওনাই নদী দখলমুক্ত করা হয়।

ইয়াছিন মোহাম্মদ সিথুন/নীলফামারী