মাহমুদ উল্লাহ্‌
বিজনেস করেসপন্ডেন্ট

বেসিস সংবাদ সম্মেলন। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) উদ্যোগে তৃতীয়বারের মতো আয়োজিত হতে যাচ্ছে ‘বেসিস ন্যাশনাল আইসিটি আওয়ার্ডস-২০১৯’।

৯ জুলাই মঙ্গলবার রাজধানীর কাওরান বাজারে অবস্থিত বেসিস মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে আয়োজনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবার মোট ৩৫ ক্যাটাগরিতে ১০৫টি পুরস্কার দেওয়া হবে। শিক্ষার্থীদের প্রকল্প হলে তাদের জন্য রয়েছে বিশেষ পুরস্কার। প্রকল্প জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৮ জুলাই। ১৩ সেপ্টেম্বর এই আয়োজনের গালা রাউন্ডের মধ্য দিয়ে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে। বিজয়ীরা ১৮ থেকে ২৩ নভেম্বর ভিয়েতনামের হালং বে শহরে আয়োজিত অ্যাপিকটা অ্যাওয়ার্ডসের জন্য বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হবেন।

জানানো হয়, ছয়টি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে এ প্রতিযোগিতায় একটি উদ্যোগকে বিচার করা হবে। এর মধ্যে প্রেজেন্টেশন, টাইমলিমিট ফলো, বিজনেস কেস ফিজিবিলিটি, আইডিয়া সাস্টেইনেবিলিটি অন্যতম। শুধু আইডিয়া নয় প্রকল্পের বিজনেস প্রোটোটাইপ থাকতে হবে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবির, সিনিয়র সহ-সভাপতি ফারহানা এ রহমান ও আয়োজনের আহ্বায়ক দিদারুল আলম সানি।

সংবাদ সম্মেলনে আলমাস কবির বলেন, আমরা বেসিস থেকে নারী উদ্যোক্তাদের আইসিটি খাতে এগিয়ে নিতে চাই। এ আয়োজন বিশ্বের বুকে বাংলাদেশকে তুলে ধরার একটি বড় উদ্যোগ। তাই আমরা চাই, যারা মনে করছেন তাদের উদ্যোগ বিশ্বের বুকে বাংলাদেশকে অনন্যভাবে তুলে ধরবে তাদের এ আয়োজনে অংশ নেওয়া উচিত।

ফারহানা আলম বলেন, এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়াটাও একটা অর্জন। তাই আমি বলব, নিজেদের সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি নিজের আইডিয়াকে মানুষের কাছে তুলে ধরার জন্য হলেও প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া উচিত।

‘বেসিস আইসিটি অ্যাওয়ার্ডস-২০১৯’ আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক দিদারুল আলম সানি বলেন, এ আয়োজনের উদ্দেশ্য ছিল মানুষকে নতুন উদ্যোগ সম্পর্কে জানানো। যারা ছাত্র বা নতুন আইডিয়া নিয়ে কাজ করছে তাদের নিয়ে আমরা তুলে ধরতে চাই, আমাদের আইসিটি খাতের সক্ষমতা মানুষকে জানাতে চাই।

bnia.basis.org.bd/apply-now-এ লিংকে গিয়ে প্রকল্প জমা দেওয়া যাবে।

আজকের পত্রিকা/এমইউ