ভেজা চুল কখনোই আঁচড়ানো উচিত নয়। ছবি : সংগৃহীত

নারী ও পুরুষ উভয়ের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্যে প্রয়োজন স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ও সুন্দর চুল। তাই চুলের উপযুক্ত যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। যেহেতু একেক জনের চুলের প্রকৃতি একেক রকমের। তাই চুলের প্রকৃতি অনুযায়ী তার যত্ন নিতে হবে। চুলের ধরন যেমনই হোক না কেন, ৫টি বিষয় মেনে চলতে পারলে সহজেই চুলের স্বাস্থ্য আর সৌন্দর্য দীর্ঘদিন ধরে রাখা সম্ভব। চলুন, চুলের যত্ন নেওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক-

ভেজা চুল আঁচড়াবেন না

ভেজা চুল কখনোই আঁচড়ানো উচিত নয়। চুলের জট ছাড়ানোর জন্য বড় দাঁতের চিরুনি ব্যবহার করাই ভালো। এতে চুল ছিঁড়ে যাওয়ার আশঙ্কা কম থাকে। চুল আঁচড়ানোর জন্য কাঠের চিরুনি ব্যবহার করতে পারলে সবচেয়ে ভালো হয়। সপ্তাহে অন্তত একবার চুলকে ডিপ কন্ডিশনিং ট্রিটমেন্ট দিন। চুলের যত্নে আর সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে কখনোই কড়া কেমিক্যাল ব্যবহার করবেন না।

উষ্ণ তেল দিয়ে চুলের গোড়া মালিশ করা

সপ্তাহে অন্তত তিনবার উষ্ণ তেল দিয়ে চুলের গোড়ায় মালিশ করুন। চুলের গোঁড়ার আদ্রতা বজায় রাখতে এই পদ্ধতি অত্যন্ত কার্যকর! মালিশের জন্য আমন্ড অয়েল বা সাধারণ নারকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন। আঙুলের ডগা দিয়ে চুলের গোঁড়ায় ভালো করে মালিশ করুন। অন্তত ১ ঘণ্টা রেখে শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন।

ড্রায়ার ব্যবহার না করা

ভেজা চুল শুকানোর জন্য ড্রায়ারের ব্যবহার না করাই ভালো। এর ফলে চুল রুক্ষ হয়ে যায়। তাছাড়া চুলের গোড়াও অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে যেতে পারে।

মানসিক চাপমুক্ত থাকুন

ক্লান্তি, অবসাদ চুলের রং বা তার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তাই চাপমুক্ত থাকতে মেডিটেশন, মিউজিক থেরাপি ইত্যাদি কৌশল কাজে লাগিয়ে দেখতে পারেন।

পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ

স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুলের জন্য পুষ্টিকর খাবার-দাবার খুবই জরুরি। ফলের রস আর সবুজ সবজি চুলের জন্য খুবই উপকারী। স্বাস্থ্যবান, ঘন, ঝলমলে চুলের জন্য দুধ আর টক দই খেতে পারেন। চুলকে স্বাস্থ্যবান করে তুলতে নারকেলও খুবই উপকারী।

আজকের পত্রিকা/কেএইচআর/সিফাত