মাহমুদ উল্লাহ্‌
বিজনেস করেসপন্ডেন্ট

সময় ও যানজট এড়াতে বিমান পথকে বেছে নিচ্ছেন অনেক ঈদ যাত্রী। ছবি : সংগৃহীত

আসছে মুসলিমদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর। ঈদকে ঘিরে তাই শুরু হয়েছে মানুষের ব্যস্ততা। পরিবার পরিজন নিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে শহর থেকে গ্রামে যেতে পথে পথে ভোগান্তির কোনো শেষ থাকে না। এই সময়ে তাই নগর যাত্রীরা থাকে উদগ্রীব আর তটস্থ। ট্রেন, লঞ্চ, বাস স্টিমারের অগ্রিম টিকেটের জন্য চলে মানুষের ছুটাছুটি ও দীর্ঘ ক্লান্তিকর লাইন। আর তাই দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে দেশের অভ্যন্তরীণ বিমান পরিবহন।

মানুষ এখন অনেক বেশি সৌখিন ও ব্যস্ত। কিছু টাকা বেশি লাগলেও সবাই সময় ও আরামটাকেই টাকার চেয়ে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে। তাদের ব্যস্ত সময় থেকে তারা চায় ভ্রমণের সময়টুকু আরামে কাটুক। একটু আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য তাই বাড়ছে প্লেনে যাত্রীদের সংখ্যা। এদিকে দেশে এয়ারওয়েজ ব্যবসা আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি ভালো। মানুষ এখন যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি প্লেনে চড়ছে। আর যাত্রীদের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে এয়ারওয়েজ কোম্পানিগুলোর চেষ্টার কোনো ত্রুটি থাকছে না। প্রয়োজনে তারা ফ্লাইটের সংখ্যাও বৃদ্ধি করছে। কৌতুক আছে অদূর ভবিষ্যতে হয়তো দেখা যাবে প্লেনেও বাসের মতো রড ধরে দাঁড়িয়ে যাত্রী যাচ্ছে।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের ভেতর। ছবি: সংগৃহীত

ঈদে যাত্রী সংখ্যা কেমন এই বিষয়ে জানতে চাইলে নভোএয়ারের সিনিয়র ম্যানেজার মাহফুজুল আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নভোএয়ার বাংলাদেশের ডমেস্টিক রুটে প্রথম স্থানে রয়েছে। এবার ঈদের অগ্রিম টিকেট বেশ ভালোই বুকিং হচ্ছে। ঈদ উপলক্ষে আমরা যশোর, সৈয়দপুর ও রাজশাহী রুটে পাঁচটি ফ্লাইট বাড়িয়েছি। এখন পর্যন্ত ৫০/৬০ শতাংশ টিকেট বুক হয়ে গেছে। আশা করছি আমাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী সব ফ্লাইট ফুল বুক হয়ে যাবে।’

অন্যদিকে অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশের (আটাব) সভাপতি মানজুর মোরশেদ বললেন ভিন্ন কথা। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘যাত্রীরা এবার বিদেশে কম যাচ্ছে, তাই বুকিং কম হচ্ছে। তবে দেশের ভেতরে যাত্রী সংখ্যা মোটামুটি ভালো। এখনো পুরোপুরি বুঝা যাচ্ছে না ঈদে কেমন টিকেট বুক হবে। তবে কিছুদিন পরই বুঝা যাবে।’

আজকের পত্রিকা/এমইউ/এমএইচএস/জেবি