পশু কোরবানির স্থান পরিস্কার রাখুন। ছবি : সংগৃহীত

পবিত্র ঈদ আমাদের সকলের জন্যেই আনন্দের। এই ঈদ নিয়ে আমাদের আগ্রহ এবং প্রস্তুতির যেন শেষ নেই। তবে কোরবানি ঈদ প্রত্যেক মুসলিমের জন্য একটি বিশেষ দিক তুলে ধরে। ধর্মমতে কোরবানি ত্যাগের মহিমার একটি নিদর্শন হিসেবে দেখা হয়। তবে সৃষ্টিকর্তা নিশ্চই দেশ, সমাজ ও পরিবেশের ক্ষতি সাধনের মধ্যে দিয়ে এই ত্যাগ স্বীকার করার মহৎ কার্যটি পালন করতে বলেননি। তাই কোরবানির পর অবশ্যই আমাদের এমন কিছু করণীয় থাকে যা পালন করা খুবই জরুরী।

কোরবানি ঈদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হচ্ছে পশু কোরবানি। এই কোরবানি কার্য সম্পাদন শেষে আমাদের সচেতন থাকা জরুরী। আমরা সচেতন হবো যেন আমাদের কোরবানি করা পশুর উচ্ছিষ্ট রক্ত বা আনুসঙ্গিক বস্তুতে আমাদের চার পাশের পরিবেশ দূষিত না হয়। আমাদের পরিবেশ সুন্দর রাখার দায়িত্বও আমাদের।

পশু কোরবানি যেমন সামর্থবানদের জন্য বাধ্যতামূলক, কোরবানির পর সেই নোংরা পরিস্কার করাও আমাদের জন্য বাধ্যতামূলকই ভাবতে হবে। যেহেতু পরিবেশে দূষিত হলে তার নেতিবাচক প্রভাব আমাদের ওপরই ফিরে আসবে। আর তাছাড়া আমরা জানি যে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ। তাই পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে আমাদের যা করতে হবে-

১) কোরবানির স্থান পরিস্কার করা

২) কোরবানি দেওয়ার পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পশুর চামড়া বিক্রি কিংবা দান করতে হবে।

৩) কোরবানির আগেই বাড়ির পাশে কোন মাঠে কিংবা পরিত্যক্ত জায়গায় একটা গর্ত তৈরি করে রাখুন।

৪) মাংস কাটার সময় উচ্ছিষ্ট গুলো যেখানে সেখানে না ফেলে এক জায়গায় রাখুন কাজ শেষে সেগুলো গর্তে পুতে ফেলুন।

৫) পশুর ভুড়ি পরিস্কারের পর সেই আবর্জনা খোলা অবস্থায় না রেখে সেই গর্তে পুতে ফেলুন।

৬) কোরবানির সব কার্যক্রমের শেষে রক্তে মাখা রাস্তাঘাট ধুয়ে পরিস্কার করে ফেলুন।

৭) জীবাণু যেন ছড়াতে না পারে সেজন্য নোংরা জায়গা পরিস্কারের সময় স্যাভলন মেলানো পানি ব্যবহার করুন।

আজকের পত্রিকা/কেএইচআর/সিফাত