মাহমুদ উল্লাহ্‌
বিজনেস করেসপন্ডেন্ট

সভায় নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী ও অন্যান্যরা। ছবি: নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়

ঈদে নৌপরিবহন সেক্টরে যাত্রীসেবা শতভাগ সঠিকভাবে দিতে না পারলেও; আমরা সন্তুষ্ট। আরো বেশি যাত্রীসেবা নিশ্চিতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ-তে একসাথে ছুটি দেয়ায় সড়ক, নৌ ও রেলপথে বাড়তি চাপ পড়েছে। ভবিষ্যতে এসব বিষয়গুলো সমাধানে চেষ্টা করব। এককভাবে নয়, সমষ্টিগতভাবে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে চাই। সদরঘাটে যাত্রীসেবা আরো স্বাচ্ছন্দময় করতে এর স্পেস বৃদ্ধিসহ জেটি, গ্যাংওয়ে ও পন্টুন সংখ্যা বাড়ানো হবে। পর্যায়ক্রমে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া, আরিচা-নগরবাড়ী, ভোলা-লক্ষীপুর এবং চাঁদপুর লঞ্চঘাটের স্পেস বৃদ্ধি করা হবে।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী রবিবার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সাথে ঈদ পরবর্তি শুভেচ্ছা বিনিময় সভায় এসব কথা বলেন।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: আবদুস সামাদ উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, যাত্রীসেবা নিশ্চিতে আমাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নৌপরিবহন সেক্টরে যাত্রীসেবা আরো উন্নত ও স্বাচ্ছন্দময় করে তোলা হবে।

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, নদী তীর দখল ও দূষণরোধে উচ্ছেদ অভিযান চলমান থাকবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনা নদী পথ খননে অধিক গুরুত্ব দিয়েছেন। ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথ খননের পরিকল্পনা রয়েছে।

এর আগে প্রতিমন্ত্রী সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পেরেছি, দুর্ঘটনামুক্ত এই ঈদ করতে পেরেছি। এজন্য তিনি মন্ত্রণালয় এবং এর অধীনস্থ বিআইডব্লিউটিএ ও বিআইডব্লিউটিসির কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, আন্তরিকভাবে কাজ করলে জনগণকে আরো বেশি সেবা দিতে পারবো।

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এবারের ঈদে সড়ক, রেল ও নৌপথে মানুষ স্বস্তিদায়কভাবে বাড়ি যেতে পেরেছে। প্রধানমন্ত্রী সরকারি সফরে বিদেশে থেকেও বাংলাদেশের মানুষের সাথে যুক্ত ছিলেন। ঈদ যাত্রা নির্বিঘœ ও নিরাপদ করতে প্রধানমন্ত্রী দেশে মন্ত্রী, সচিব এবং তাঁর দপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেছেন।

আজকের পত্রিকা/এমইউ