‘ফাঁকা’ ঢাকার নিত্যপণ্যের বাজারেও সবজিসহ সব পণ্যের চাহিদা-জোগান দুটোই কম। সবাই ঈদের ছুটিতে থাকায় জমে উঠেনি বাজার। এর কিছুটা প্রভাব পড়েছে দামের ওপর। ফলে বাজারে ডিম ও গরুর মাংসের দাম বেড়েছে। তবে আবার চাহিদা কম থাকায় কিছু জিনিসের দাম কমেছেও। ক্রেতা কম থাকায় মাছ ও সবজির দাম কমেছে। বাজারে শুধু কিছু সবজির দোকানে চলছে বেচা কেনা। এখনও মোকামমুখী হননি খুচরা বিক্রেতারা।

ব্যবসায়ীরা জানান, নিত্যপণ্যের বাজার জমে উঠতে আরো দুই তিন দিন লাগবে। ঈদের ছুটিতে রাজধানী ছেড়েছেন মানুষ। শুক্র ও শনিবার ঈদের ছুটি শেষে গ্রামমুখী মানুষ শহরমুখী হলে আবার জমে উঠবে নিত্যপণ্যের বাজার।

তার আগপর্যন্ত চলবে ঢিমেতালে। ঢাকায় পুরোপুরি লোকজন না ফেরা পর্যন্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের চাহিদা ও জোগান কোনোটি স্বাভাবিক হবে না বলে জানান তারা।

ঈদের পর ক্রেতা সংকটে ভুগছে বাজারগুলো। তবে এর মধ্যেও বেড়েছে ডিম ও গরুর মাংসের দাম। বাজারে প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। যা দুইদিন আগেও বিক্রি হয়েছিল ৭৫ থেকে ৮০ টাকা দরে। দুই দিনের ব্যবধানে ডিমের দাম ডজনে বেড়েছে ২০ থেকে ২৫ টাকা।

আর ঈদের আগের দিন হটাৎ বেড়ে যায় গরুর মাংসের দাম। যা এখনও অব্যাহত রয়েছে। বাজারে প্রতিকেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৬৫০ টাকায়। যা ঈদের দুই দিন আগে বিক্রি হতো ৫৫০ টাকায়। আর চাঁদ রাত বেড়ে বিক্রি হয়েছিল ৬০০ টাকা কেজি।

ঈদের পর তা বিক্রি হচ্ছে ৬৫০ টাকা কেজিতে। সে হিসেবে তিনদিনের ব্যবধানে গরুর মাংসের দাম বেড়েছে কেজিতে ১০০ টাকা।

এছাড়া রাজধানীর বাজারগুলোতে আগের চড়া দামই বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের মুরগির মাংস। ব্রয়লার মুরগি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়, লাল লেয়ার বিক্রি হচ্ছে ২২৫ থেকে ২৩০ টাকা কেজি; প্রতি পিস কক মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৯০ থেকে ২৮০ টাকা। আর দেশি মুরগি প্রতি পিস বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা দরে। এছাড়া তুলনামুলক চাহিদা কম থাকায় খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকা কেজি।

আজকের পত্রিকা/এমইউ/এআরকে