দুধ, সেমাই, মশলা। ছবি: আজকের পত্রিকা

ঈদের আগে বেশকিছু নিত্য পণ্যের দাম স্বাভাবিক থাকলেও বেড়েছে মসলার দাম। এলাচের দাম বেড়েছে কেজিতে ৪০০ টাকা। রোজার আগে এক কেজি এলাচ ১৮০০ থেকে ২২০০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ২২০০ থেকে ২৬০০ টাকা কেজি দরে। দারুচিনির দাম কেজিতে বেড়েছে ৫০ টাকা। রোজার আগে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। এখন দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায়।

অপরিবর্তিত রয়েছে জিরা-বাদামসহ অন্যান্য মসলার দাম। এখন প্রতি কেজি জিরা বিক্রি করছে ৩৮০ থেকে ৪১০ টাকা, লবঙ্গ প্রতি কেজি ৮৩০ থেকে ১০০০ টাকা, কিসমিস ২৮০ থেকে ৩৫০ টাকা, পেস্তা বাদাম ১৬৪০ থেকে ২০৪০ টাকা, কাঠ বাদাম ৭৩০ থেকে ৮৫০ টাকা, কাজুবাদাম ৯৪০ থেকে ১০৫০ টাকা, আলুর বোকরা ২৮৫ থেকে ৩০০ টাকা, খোরমা ১০৫ থেকে ১২০ টাকা, জায়ফল ৫৩০ থেকে ৫৫০ টাকা, শাহী জিরা ৭৩০ থেকে ৭৫০ টাকা, কালো জিরা ১৮৫ থেকে ২০০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

এছাড়া বেড়েছে সেমাই ও গুঁড়া দুধের দাম। বিশেষ করে খোলা সেমাই’য়ে প্রতি কেজিতে পাঁচ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। লাচ্ছা সেমাইয়ের ২০০ গ্রামের প্যাকেট বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায়, যা কয়েক দিন আগেও ছিল ৩০ থেকে ৩২ টাকা। আর শনিবার সাধারণ মানের খোলা সেমাইয়ের দাম ছিল প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, যা রোজার আগে বিক্রি হতো ৪৫ থেকে ৫০ টাকা দরে। কিছুটা ভালো মানের সেমাই বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকা কেজি। তবে এসব সেমাই পাইকারি বাজার থেকে ১৫ থেকে ২০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

সেমাই এর সঙ্গে বেড়েছে গুঁড়া দুধের দামও। এক কেজি ওজনের ডানো দুধ ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫৭০ টাকা দরে। যা আগে ছিল ৫৫০ টাকায়। ৫০০ গ্রাস ওজনের মার্কস দুধের দাম ২১০ টাকা থেকে বেড়ে ২৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, ফ্রেশ দুধের দাম ৫০০ গ্রাম দুধের প্যাকেট ২২০ টাকা থেকে বেড়ে ২৪০, ডিপ্লোমা এক কেজির প্যাকেট ৫৫০ থেকে বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫৭০ টাকায়।

এদিকে মিল্ক ভিটা, আড়ংসহ বিভিন্ন ধরনের তরল দুধও কোনো কোনো দোকানি মোড়কে উল্লেখিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করছেন। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে খোলা তরল দুধের দাম। প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা রোজার আগে ছিল ৮০ থেকে ৯০ টাকায়। এই অভিযোগে গত কয়েক দিনে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের ভ্রাম্যমাণ আদালত বেশ কয়েকটি দোকানকে জরিমানাও করেছেন।

আজকের পত্রিকা/এমইউ/সিফাত