৩ দফা দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) কর্মকর্তা সমিতি। এ উপলক্ষে সোমবারও কর্মবিরতি পালন করেছে কর্মকর্তারা। এদিন সকাল ১০ টা থেকে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেয় তারা।

সমিতির সাধারণ সম্পাদক মীর মোর্শেদুর রহমানের স ালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন সমিতির সভাপতি শামছুল ইসলাম জোহাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এসময় বক্তরা উপাচার্যকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘মাননীয় উপাচার্য জরুরী সিন্ডিকেট ডেকে আমাদের ৩ দফা দাবি মেনে নিন। এটাই আপনার জন্যে মঙ্গল হবে। আপনি আমাদের অন্য জায়গায় যেতে বাধ্য করবেন না, এর পরিস্থিতি ভালো হবেনা। আপনি প্রশাসনিক ভবন তো দূরের কথা বাংলোতেও থাকতে পারবেন না।’

শিক্ষকের সাথে তাদের কোন দ্বন্দ্ব নেই দাবি করে কর্মকর্তারা বলেন, ‘আমরা তাদেরকে আমাদের প্রতিপক্ষ ভাবিনা। আমাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করাবেন না। ২৪ ঘন্টার মধ্যে দাবিসমূহ বাস্তবায়ন না হলে আমরা পরবর্তী কর্মসূচী পালন করবো।’ এসময় সমিতির সভাপতি শামছুল ইসলাম জোহা কর্মকর্তাদের কাজ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

জানা যায়, গত ৩১ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪৬ তম সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে কর্মকর্তাদের দাবি বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে পূর্বোঘোষিত সিন্ধান্ত অনুযায়ী (২ সেপ্টেম্বর) আন্দোলনে নামে কর্মকর্তারা।

উল্লেখ্য, কর্মকর্তাদের দাবিসমূহ হলো- চাকরির বয়সসীমা ৬০ থেকে ৬২তে উন্নীতকরণ, ক্যাম্পাসের একাডেমিক এবং প্রশাসনিক কর্মঘন্টা সকাল ৯টা-৪টার পরিবর্তে ৮টা-২টা করে সপ্তাহে একদিন ছুটি কমিয়ে আনা এবং উপরেজিস্ট্রার (সমমান) পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের বেতন স্কেল চতুর্থ গ্রেডে করা ও সহকারী রেজিস্ট্রার (সমমান) পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের বেতন স্কেল ষষ্ঠ গ্রেডে করা।

এবিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. রাশিদ আসকারী বলেন, ‘আমি তাদের দাবির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই সিন্ধান্ত নেয়া হবে। তবে কর্মকর্তাদের কাছে থেকে আমি কর্মকর্তাসুলভ আচরণই প্রত্যাশা করি।’

এইচ কে জে/ইবি