ইবিতে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির আঞ্চলিক সেমিনার

বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির আঞ্চলিক সেমিনার কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে দিনব্যাপী এ সেমিনারের উদ্বোধন করেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-উর-রশিদ আসকারী (ড. রাশিদ আসকারী)।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. আবুল বারকাত বলেন, আমরা বৈষম্য বাংলাদেশ দেখতে চাই।

তিনি বলেন, ২০৩০ সালে কোন কোন মাপকাটিতে বিশ্বের অর্থনীতি শক্তিশালী ২০টি দেশের মধ্যে একটি হবে বাংলাদেশ।

তিনি বঙ্গবন্ধুকে বিশ্ববন্ধু আখ্যায়িত করে বলেন, বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের অধিবেশনে বিশ্বের প্রতিনিধিদের সামনে বলেছিলেন, আপনারা পরমাণু অস্ত্রসহ সকল প্রকার অস্ত্র সরঞ্জামাদি বন্ধ করে মানব জাতির কল্যাণে কাজ করুন। তিনি এদেশের অর্থনৈতিক উনśয়নে যার যার অবস্থান থেকে কাজ করার আহবান জানান।

উদ্বোধনী বক্তৃতায় ড. রাশিদ আসকারী বলেন, বাংলাদেশ গত একদশকে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিকভাবে এগিয়ে চলেছে। সেই অগ্রযাত্রাকে আমাদের আরও বেগমান করতে হবে এবং আরও টেকসই করতে হবে। ইবিতে এ আয়োজন করায় তিনি আয়োজকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

ইবি অর্থনীতি বিভাগের প্রফেসর আব্দুল মুঈদ এর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শাহিনুর রহমান বলেন, আজ বাংলাদেশে অর্থনৈতির যে উনśয়ন হয়েছে তা আমাদের রাষ্ট্রীয়, সামাজিক এবং পারিবারিক উনśয়ন এবং পরিবর্তন দেখে বোঝাযায়। এ উনśয়নকে আমাদের আরও এগিয়ে নিতে হবে।

অপর বিশেষ অতিথি ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম তোহা বলেন, বাংলাদেশে আজকের যে উনśয়ন সেই উনśয়নের পেছনে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

এজন্য অর্থনীতির সমিতির নেতৃবৃন্দকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ইবি অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক মিথিলা তানজিল।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে দ্বিতীয় পর্বে ড. আবুল বারকাত “বঙ্গবন্ধু-দর্শন”: তত্ব, প্রয়োগ ও “উচ্ছেদিত সম্ভাবনা” শীর্ষক তাঁর প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

দিনব্যাপী এ সেমিনারে বীর মুক্তিযোদ্ধাগন, বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির নেতৃবৃন্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিনś পর্যায়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এইচ কে জে/ইবি